চুয়াডাঙ্গা সীমান্তবর্তী মাঠে বিশাল আকৃতির রাসেল ভাইপার আটক

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার সীমান্তবর্তী মাঠ থেকে বিশাল আকৃতির একটি বিষধর রাসেল ভাইপার সাপ আটক করেছেন স্থানীয় এক কৃষক। পরে সাপটি উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে বন বিভাগ। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সাপটিকে সুন্দরবন এলাকায় অবমুক্ত করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এ জন্য খুলনা বন বিভাগ থেকে একটি বিশেষজ্ঞ দল আসছে।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার মুন্সিপুর গ্রামের শিমুলতলা মাঠে সীমান্তের শূন্যরেখা-সংলগ্ন এলাকা থেকে সাপটি আটক করা হয়। পরে রাত ৯টার দিকে সেটি বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শিমুলতলা মাঠে একটি গাড়ল ভেড়াকে কামড় দেওয়ার চেষ্টা করছিল সাপটি। এ সময় বিষয়টি কৃষক হাসানের নজরে আসে। পরে তিনি লাঠি দিয়ে পিটিয়ে সাপটিকে আহত করে আটক করেন। এরপর সেটিকে একটি খাঁচায় বন্দি করে রাখা হয়। কৃষক হাসান মুন্সিপুর গ্রামের সিরাজের ছেলে।

সীমান্তবর্তী মাঠে বিশাল আকৃতির বিষধর সাপ আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। সাপটি দেখতে স্থানীয়দের ভিড় জমে। এ সময় সাপটির আকৃতি ও বিষধর স্বভাব নিয়ে মানুষের মধ্যে কৌতূহল দেখা দেয়।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা বন বিভাগকে বিষয়টি জানানো হয়। পরে বন বিভাগের ফরেস্ট গার্ড শাহাজামাল ওরফে রিপন ঘটনাস্থলে গিয়ে সাপটি উদ্ধার করেন। রাত ৯টার দিকে সাপটি বন বিভাগের হেফাজতে নেওয়া হয়।

দামুড়হুদা উপজেলা বন কর্মকর্তা (ফরেস্টার) সুরেশ মিস্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, প্রশিক্ষণসংক্রান্ত কাজে বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামে অবস্থান করছেন। এ কারণে সাপটি আটকের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাঁর জানা নেই।

অন্যদিকে, জীবননগর ডেপুটি রেঞ্জার শরিফুল ইসলাম কাজল সাপটি রাসেল ভাইপার বলে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাসেল ভাইপার অত্যন্ত বিষধর সাপ। সাপটিকে নিরাপদে অবমুক্ত করার জন্য খুলনা বন বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। সেখান থেকে একটি বিশেষজ্ঞ দল আসছে। দলটি সাপটিকে নিয়ে সুন্দরবন এলাকায় অবমুক্ত করবে।

সীমান্তবর্তী মাঠ থেকে বিষধর রাসেল ভাইপার আটকের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে সাপটিকে নিরাপদে প্রকৃতিতে ফিরিয়ে দিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছে বন বিভাগ।

পড়ুন : ‘কিছু লোকের ধাওয়ায় তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন, আমি পালিয়ে আসি’ — পিবিআইকে দীপ

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন