দেশজুড়ে সারসংকট, মির্জাপুরে পুকুরে ডুবল ৩০০ বস্তা সার

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সড়কের পাশের পুকুরে উল্টে পড়েছে ৩০০ বস্তা সার বোঝাই একটি ট্রাক। এতে ট্রাকে থাকা সব সার পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সার ডিলারের দাবি, তাঁর প্রায় ৪ লাখ ৫ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের সরকার পাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে ঘোড়াশাল থেকে ৩০০ বস্তা সার নিয়ে মির্জাপুরের ভাওড়ার উদ্দেশে রওনা হয় ট্রাকটি। শুক্রবার সকালে ভাওড়া খানপাড়া এলাকায় পৌঁছালে সড়কের ঢালু অংশে ট্রাকটির একটি চাকা আটকে যায়। এ সময় সড়কের পাশের মাটি ধসে পড়লে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। পরে ট্রাকটি রাস্তার পাশের পুকুরে উল্টে পড়ে।

ভাওড়া ইউনিয়নের সার ডিলার প্রতিষ্ঠান মেসার্স আমজাদ অ্যান্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী মো. আমজাদ হোসেন জানান, ট্রাকে থাকা ৩০০ বস্তা সার পানিতে ডুবে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে। সরকারি বাজারমূল্য অনুযায়ী এসব সারের দাম ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা। সারগুলো ইউনিয়নের তিন সাব-ডিলারের কাছে সরবরাহ করার কথা ছিল।

তিনি আরও বলেন, সরকারি বরাদ্দের সার এভাবে দুর্ঘটনায় নষ্ট হওয়ায় তিনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। একজন বৈধ ডিলার হিসেবে এ ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা তাঁর পক্ষে কঠিন। তাই ক্ষতিগ্রস্ত সারের মূল্য মওকুফ অথবা যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে একটি প্রতিনিধি দল পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত তথ্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত ডিলার সরকারি কোনো আর্থিক সহায়তা পাবেন কি না, তা এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার কারণে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নে সারের সংকট দেখা দিলে কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাকটি উদ্ধারের কাজ চলছে। উদ্ধারের পর ট্রাকটি থানা হেফাজতে রাখা হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : পাবনার মালঞ্চিতে বজ্রপাতে শিশুসহ ৬ জনের মৃত্যু

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন