তাহসিফ সাউরি হত্যা: ফের ৩ দিনের রিমান্ডে দীপ

বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরী হত্যা মামলায় প্রধান সন্দেহভাজন আসামি আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে দ্বিতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় দীপের ডাকে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন তাহসিফ। এর পরদিন ২৮ অক্টোবর বিকেলে রাজধানীর উত্তরখান থানাধীন তুরাগ নদের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। পকেটে থাকা আইফোন ও অন্যান্য আলামতের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা কে এম এনায়েতুল করিম বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে গত শুক্রবার রাতে উত্তরখান থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

প্রাথমিক তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ জানতে পারে, নিহত তাহসিফের জুনিয়র ও সম্পর্কে ছোট ভাই আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপ এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। গত ৩১ অক্টোবর তাকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। প্রথম দফার রিমান্ড শেষে গত মঙ্গলবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই মোড. সাইফুল ইসলাম ও নৌ পুলিশের টঙ্গী ফাঁড়ির পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানান।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রথম দফার রিমান্ডে দীপ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেও তিনি অত্যন্ত চতুর প্রকৃতির হওয়ায় অনেক প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে গেছেন এবং নীরবতা পালন করেছেন। হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার, নিহতের মোবাইল ও ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার এবং অপরাধের মূল স্থান নির্ধারণের জন্য তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। শুনানি শেষে আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য, এই মামলায় দীপের সঙ্গে নেস্ট বারে দেখা যাওয়া দিশা নামের এক তরুণীও বর্তমানে চার দিনের রিমান্ডে রয়েছেন। পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রসিকিউশন সূত্র জানিয়েছে, মামলার অন্যান্য দিক ও ইন্ধনদাতাদের খুঁজে বের করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

পড়ুন : শ্রমিক আন্দোলনে প্রকৃত শ্রমিকের লাভ কতটুকু?

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন