ঢাকার ধামরাইয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তাসহ চারটি বাড়ির সামনে কাফনের কাপড়, আতর ও গলাকাটা মুরগি রেখে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) রাতে উপজেলার বড় চন্দ্রাইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গত মাসে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত মোছলেহ উদ্দিনের পরিবারকে যারা সহযোগিতা করেছিলেন, তাদের বাড়িগুলোকে লক্ষ্য করেই এসব সামগ্রী রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।
মোছলেহ উদ্দিনের ছেলে সাজিদুল ইসলাম জানান, গত ২০ অক্টোবর তাদের বসতঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এর আগে মুঠোফোনেও বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেও প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাননি বলে দাবি তার।
সাজিদুলের অভিযোগ, নতুন করে এমন ঘটনা ঘটিয়ে তাদের সহযোগিতাকারীদের ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
এদিকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের হিসাব সহকারী ওয়াহিদ ভূইয়া রিপন বলেন, প্রতিবেশীর বাড়িতে আগুন লাগার পর তারা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। এ কারণে তাদের ভয়ভীতি দেখানোর উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এমন ঘটনা ঘটানো হয়ে থাকতে পারে বলে তারা ধারণা করছেন।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, ঘটনার পর রাতে ও পরদিন সকালে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে সহযোগিতা চান তারা। তবে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, অপারেশন) দেবাশীষ ছানা বলেন, ‘এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
একই ঘটনায় চারটি বাড়ির সামনে এ ধরনের সামগ্রী রাখার পেছনে কারা জড়িত, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
পড়ুন:বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সহযোগিতায় সমঝোতা স্মারক সই
ইমি/


