টাঙ্গাইলের বাসাইলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান ও তার পিএস সাদেকুল ইসলাম সবুজকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল ইসলামের ছোট ভাই বাদল মিয়া (৪৮) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠায় পুলিশ।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার কাশিল বটতলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
গ্রেফতারকৃত বাদল মিয়া উপজেলার কাশিল পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা। এ মামলায় অপর আসামিরা হলেন- তানভীর আহসান সুমন ও বাদল মিয়ার বড় ভাই শাহাদাত মিয়া।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, তানভীর আহসান সুমন তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক থেকে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল নামের একটি ফেসবুক গ্রুপে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের ছবি ব্যবহার করে একটি পোস্ট দেয়।
পোস্টটিতে লেখা রয়েছে “মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী তিনি একজন মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী মানুষ। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী হওয়ার তার কোন যোগ্যতা নেই। তার অপসারণ চাই।”
এ পোস্টটি মামলার ২ নম্বর আসামী শাহাদাত মিয়া তার ফেসবুক আইডিতে শেয়ার করেন। এছাড়াও মন্ত্রীর পিএস সাদেকুল ইসলাম সবুজের ছবি ব্যবহার করে সখিপুর এবং দেশবিদেশের নিউজ নামের অপর একটি ফেজবুক পেইজ থেকে একটি পোস্ট দেয়া হয়। পোস্টটিতে লেখা আছে “শশুর বাড়ীর লোক নাটোরে পিএস সবুজ”।
বিষয়টি নজরে আসায় ৬ নভেম্বর ইবাদুল ইসলাম বাদি হয়ে বাসাইল থানায় সাইবার সুরক্ষা আইন-২০২৬ এর ২৫(১)/২৭(১) ধারায় ৩জনের নাম উল্লেখ ও ৩/৪জন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে বাসাইল থানার ওসি আলমগীর কবির বলেন, তার বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইন-২০২৬ এর ২৫(১)/২৭(১) ধারায় মামলা হয়েছে। পরে গ্রেফতারকৃত আসামী বাদল মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
পড়ুন : ধামরাইয়ে মাদকবিরোধী সভা, সন্তানদের সঠিক পথে রাখার আহ্বান অভির


