বিজ্ঞাপন

‘বেবি এভি’র বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে অজিদের হারিয়ে সিরিজ সমতা

এভি ডি ভিলিয়ার্সের সঙ্গে ব্যাটিং স্টাইলের মিল থাকায় বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতাতেই ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ক্রিকেট বিশ্বে ‘বেবি এভি’ হিসেবে পরিচিত লাভ করেন। নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতেও বেশি সময় নেননি এ তরুণ অলরাউন্ডার। ক্যারিয়ারের নবম টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তুলে নিলেন বিধ্বংসী এক সেঞ্চুরি। শতক হাঁকানোর পথে গড়লেন একাধিক রেকর্ডও।

মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) ডারউইনে ব্রেভিসের দ্যুতি ছড়ানো ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ৫৩ রানে হারিয়ে সিরিজ সমতায় ফিরেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২১৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১৬৫ রানে থামে অজিরা। তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ম্যাচটি মাঠে গড়াবে আগামী শনিবার (১৬ আগস্ট)।

প্রোটিয়া কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্স। যিনি ক্রিকেট বিশ্বে মিস্টার ৩৬০ ডিগ্রি হিসেবেই পরিচিত। কারণ মাঠের সব প্রান্তেই অনায়াসে বল পাঠিয়ে রান তুলতে পারেন তিনি। এইতো কিছুদিন আগেও সাবেকদের টুর্নামেন্টে দুটি বিধ্বংসী সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন তিনি। ৪১ বছর বয়সেও তিনি যেভাবে দ্যুতি ছড়াচ্ছেন তাতে অনেকে আক্ষেপে পুড়ছেন ৭ বছর আগে জাতীয় দল থেকে তার অবসর নেয়া নিয়ে। তবে সে আক্ষেপ হয়তো পূরণ করতে পারেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। গুরুর মতো ব্যাটিং স্টাইলে ইতোমধ্যে তিনি ‘বেবি এভি’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। অভিষেকের পর থেকে অবশ্য নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। তবে বেশি সময়ও নেননি। ভবিষ্যতে তিনি যে ডি ভিলিয়ার্সের জায়গা নিতে পারেন সে বার্তা দিলেন মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে।

একপ্রান্তে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা যখন ক্রিজে টিকে থাকতে সংগ্রাম করে যাচ্ছিলেন তখন অপরপ্রান্তে ঝড় তুলতে থাকেন এ ২২ বছর বয়সী ব্যাটার। নবম টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে প্রথমবার তুলে নেন ফিফটি। তবে সেখানেই থেমে থাকেননি। ফিফটিকে রূপ দিয়েছেন সেঞ্চুরিতে। তাও আবার মাত্র ৪১ বলে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে প্রোটিয়া ব্যাটারদের মধ্যে এটি দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরি। প্রথমটি ২০১৭ সালে ৩৫ বলে বাংলাদেশের বিপক্ষে করা ডেভিড মিলারের সেঞ্চুরি। এদিন ‘বেবি এভি’ ৫৬ বল মোকাবিলায় ১২ চার ও ৮ ছক্কায় শেষ পর্যন্ত ১২৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। তাতে নাম লিখিয়েছেন আরও একটি রেকর্ডে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে প্রোটিয়াদের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। আগেরটি ছিল ২০১৫ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ফাফ ডু প্লেসিসের ১১৯।

ব্রেভিসের জয় তোলার দিনে ডারউইনে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২১৮ রানে থামে দক্ষিণ আফ্রিকা। দলের পক্ষে ২২ বলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩১ রান করেছিলেন ত্রিস্তান স্টাবস। অজিদের হয়ে ২টি করে উইকেট নেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও বেন ডারসুইস।

রান তাড়ায় নেমে ২৯ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল অস্ট্রেলিয়া। এরপর ক্রিজে নেমে ঝড় তুলতে থাকেন টিম ডেভিড। তার চার-ছক্কা ফুলছড়িতে মনে হচ্ছি ম্যাচের ফলাফল যাবে অজিদের পক্ষেই। তবে ২৩ বলে ৪ ছক্কা ও ৪ চারের মারে ফিফটি তুলে নেয়ার পর ক্রিজে স্থায়ী হননি তিনি। নিজের মোকাবিলা করা ২৪তম বলে কাগিসো রাবাদাকে তুলে মারতে গিয়ে কাভারে ধরা পড়েন। তার বিদায়ের পর বাকিদের কেউ হাল ধরতে পারেনি। তাতে ১৭.৪ ওভারে ১৬৫ রানে থামে অজিদের ইনিংস। প্রোটিয়াদের হয়ে কেওয়েনা মাফাকা ও কর্বিন বোশ ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : মাসসেরা ক্রিকেটারের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করল আইসিসি

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন