গাইবান্ধা সদর উপর উপজেলা আহলে হাদীস জামে মসজিদ ভাঙ্গা প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে অংশ নেয় মসজিদের মুসল্লীসহ এলাকাবাসী। আজ শক্রবার দুপুর ১২টার দিকে নাকাইহাট -গাইবান্ধা রোডে কনকরায় মসজিদের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে বক্তব্য দেন, মসজিদ কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সেক্রটারি আমিনুল ইসলাম, জেলা শুব্বানে জমঈয়তে আহলে হাদীস সভাপতি এস এম ছামছুর রহমান সাইফী, মুসল্লি ময়নুল হক, রাহায়নুর কবিরসহ অনেকেই।
বক্তরা বলেন, যুবলীগ নেতা ও মসজিদের সাবেক ক্যাশিয়ার মাসুম মিয়া সরকারিসহ মানুষের দেওয়া অনুদান প্রায় ১৬ লাখ তার নিকট জমা থাকে। গণঅভ্যুত্থানে পট পরিবর্তন হলে জনরোষানলের ভয়ে তিনি বেশ কিছুদিন লুকিয়ে থাকেন। সেই সময় মুসল্লীদের সম্মতিতে মসজিদের নতুন করে কমিটি গঠন করা হয়। পরে মসজিদের লোকজন মাসুমের কাছে টাকার ফেরত দিতে চাপ দেয়। তিনি তাদের সাথে টাকা দেওয়া নিয়ে টালবাহনা শুরু করেন। যাতে করে মসজিদের টাকা ফেরত না দেওয়া লাগে সেজন্য গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে মাসুম বিভিন্ন স্থান থেকে আ’লীগের লোকজন নিয়ে এসে মসজিদটি ভাংচুর টিনের চালাসহ সব আসবাবপত্র খুলে নিয়ে যায়। বিক্ষুব্ধ মুসল্লিসহ এলাকাবাসী এর প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধ করছি।
মসজিদ কমিটির সেক্রটারি আমিনুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, মসজিদটি ভাঙ্গার সময় বাঁধা দিতে গেলে মাসুম মিয়ার লোকজন হামলা করে। তাৎক্ষণিক পুলিশকে জানালেও কোন ব্যবস্থা নেন নাই। তিনি মসজিদের জমাকৃত টাকা ফেরত, ভাংচুরের ক্ষতিসহ জড়িতদের বিচারের দাবি করেন।
এ বিষয়ে থানা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীনুর তালুকদার বলেন, আমি শুনছি বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষে সমাধান হয়েছে । তবে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ না দেওয়ার কারনে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
পড়ুন: কায়সার কামালের সহযোগিতায় চোখের আলো ফিরে পেলেন দুর্গাপুরের ৪৫০ জন
দেখুন: ইসরায়েলকে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, কানাডার হুশিয়ারি! এবার বদলাবে গাজা?
ইম/


