বিজ্ঞাপন

ভারতের রাজস্থানে হাসপাতালের আইসিইউতে ভয়াবহ আগুন, ৮ গুরুতর রোগী নিহত

ভারতের রাজস্থান রাজ্যের জয়পুরে রাষ্ট্রীয় পরিচালিত সোয়াই মান সিং (এসএমএস) হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে থাকা আইসিইউতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন নারীসহ আটজন গুরুতর রোগীর মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। রোববার (৫ অক্টোবর) মধ্যরাতে হাসপাতালটিতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, রাত ১১টা ২০ মিনিটের দিকে নিউরো আইসিইউ ওয়ার্ডের স্টোর রুমে আগুন লাগে। ওই রুমে কাগজপত্র, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং রক্তের নমুনা টিউব রাখা ছিল। কর্মকর্তারা ধারণা করছেন শর্ট সার্কিট থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

ট্রমা সেন্টারের ইনচার্জ ডা. অনুরাগ ধাকাড জানান, আগুন লাগার সময় নিউরো আইসিইউতে ১১ জন রোগীর চিকিৎসা চলছিল। এছাড়া আরও ১৩ জন পাশের ওয়ার্ডে ছিলেন। সকলকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহতরা হলেন- পিন্টু (সিকার), দিলীপ (আন্ধি, জয়পুর), শ্রীনাথ (ভারতপুর), রুক্মণি (ভারতপুর), কুশমা (ভারতপুর), সর্বেশ (আগ্রা, উত্তরপ্রদেশ), বাহাদুর (সাঙ্গানার, জয়পুর) এবং দিগম্বর ভার্মা।

একজন ফায়ার অফিসার জানান, তারা পৌঁছানোর সময় পুরো ওয়ার্ড ধোঁয়ায় ভরা ছিল, যার ফলে সমস্ত প্রবেশ পথ বন্ধ হয়ে যায়। তিনি বলেন, ‘আমাদের ভবনের বিপরীত দিক থেকে জানালার কাঁচ ভেঙে ভেতরে পানি দিতে হয়েছে। আগুন নেভাতে সময় লেগেছে প্রায় দেড় ঘণ্টা।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের সময় অধিকাংশ রোগীদের তাদের বিছানাসহ দ্রুত সরিয়ে রাস্তার ধারে স্থানান্তরিত করা হয়। আগুনের ফলে ভবনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। ধোঁয়া দ্রুত পুরো ওয়ার্ডে ছেয়ে যায়। এ সময় রোগী এবং তাদের পরিবারের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক।

এ ঘটনার পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মা, সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী যোগরাম প্যাটেল এবং স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জওহর সিং বেধাম পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে ট্রমা সেন্টার পরিদর্শন করেছেন।

প্যাটেল এবং বেধাম প্রথমে পৌঁছালে দুই রোগীর পরিচারক তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং অভিযোগ করেন, আগুন লাগার সময় পালিয়ে যান হাসপাতালের কর্মীরা। পরে মুখ্যমন্ত্রীও ঘটনাস্থলে পৌঁছে চিকিৎসক এবং রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ইন্দোনেশিয়ায় স্কুলভবন ধসে নিহত ৫০ 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন