ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুল জেলায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) ভোর সাড়ে তিনটার দিকে কুর্নুলের চিন্নাটেকুরে হায়দরাবাদ থেকে বেঙ্গালুরুগামী একটি চলন্ত যাত্রীবাহী বাস মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষে আগুন ধরে যায়। এতে বাসে থাকা আরও ২১ জন যাত্রী আহত হয়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) ভোররাতের দিকের এই মর্মান্তিক ঘটনায় কমপক্ষে ২০ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে এই সংখ্যা ১০ জন হতে পারে বলে দাবি এনডিটিভি’র।
যদিও, হতাহতের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
এই দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন রাজ্য মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু। সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সম্ভাব্য সব সহায়তা দেবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, বাসটি ৪০ জন যাত্রী নিয়ে মধ্যরাতে হায়দ্রাবাদ থেকে যাত্রা শুরু করে এবং এটি জাতীয় সড়ক ৪৪ (এনএইচ-৪৪)-এর কুর্নুলের কাছে পৌঁছালে একটি দুই চাকার যানের সাথে দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, বাসের নিচে দু-চাকার গাড়িটি আটকে যাওয়ার ফলে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগুন কয়েক মিনিটের মধ্যেই বাসটিকে গ্রাস করে ফেলে।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, বাসটি ৪০ জন যাত্রী নিয়ে মধ্যরাতে হায়দ্রাবাদ থেকে যাত্রা শুরু করে এবং এটি জাতীয় সড়ক ৪৪ (এনএইচ-৪৪)-এর কুর্নুলের কাছে পৌঁছালে একটি দুই চাকার যানের সাথে দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, বাসের নিচে দু-চাকার গাড়িটি আটকে যাওয়ার ফলে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগুন কয়েক মিনিটের মধ্যেই বাসটিকে গ্রাস করে ফেলে।
যাত্রী তালিকা অনুযায়ী, চালক এবং কর্মীসহ বাসটিতে মোট ৪০ জন ছিলেন। স্থানীয় এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, ‘১৫ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে’।
তিনি আরও বলেন, ‘ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি টিম এখানে আছে এবং আগুন লাগার সঠিক কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। যেহেতু এটি একটি এসি বাস ছিল, তাই যাত্রীদের জানালা ভাঙতে হয়েছিল। যে ভাঙতে পেরেছে সে বেঁচে গেছে।’
নিখোঁজ যাত্রীদের খুঁজে বের করার এবং হতাহতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
পড়ুন : উড্ডয়নের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে বিমানের শেষ পরিণতি, বিধ্বস্ত হলো রানওয়েতেই


