১২/০২/২০২৬, ১৪:৩৪ অপরাহ্ণ
27 C
Dhaka
১২/০২/২০২৬, ১৪:৩৪ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থেকে দুইটি গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

ময়নসিংহের হালুয়াঘাটে শ্বশুর বাড়ি থেকে জামাতা ও নাতীনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নহতের স্ত্রী জুলেখা আহত হয়েছে। এ হত্যাকান্ডের অভিযোগ উঠেছে শ্বশুর ও শ্বাশুড়ীর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার ভুবনকুড়া ইউনিয়নের আমিরখাকুড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বিজ্ঞাপন

মৃত জামাতার নাম রতন মিয়া (৩৫) ও তার মেয়ে নূরিয়া খাতুন (৭)। রতন গার্মেন্টসে চাকুরি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

পুলিশ এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত জামাতা রতন মিয়ার শ্বশুর দুলাল ও তার স্ত্রীকে থানায় নিয়ে এসেছে। জামাতা রতন মিয়া পার্শ্ববর্তী শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার বাঘবেড় খিশাকুড়ি এলাকার আমির হোসেনের ছেলে।

এলাকাবাসী ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দশ বছর আগে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রতনের সাথে বিয়ে হয় হালুয়াঘাট উপজেলার ভুবনকুড়া ইউনিয়নের আমিরখাকুড়া এলাকার দুলাল মিয়ার মেয়ে জুলেখা খাতুনের। বিয়ের পর থেকে শ্বশুর বাড়িতে থাকতেন রতন।

এদিকে স্বামী সন্তানকে রেখে বছর দুই আগে দুবাই চলে যায় রতনের স্ত্রী জুলেখা। গত বছর জুলেখা ছুটি কাটিয়ে আবার দুবাই চলে যায় । সম্প্রতি আবারও ছুটিতে বাড়িতে আসলে জুলেখা স্বামী রতন মিয়া এবার বিদেশ যেতে বাঁধা দেওয়ায় কিছুদিন ধরে এই দম্পত্তির মাঝে মান অভিমান কলহ চলছিলো।

রতনের পরিবারের অভিযোগ বিদেশ যাওয়া নিয়ে গত রাতে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এ কারনেই রতন ও তার মেয়েকে তার শ্বশুর শ্বাশুরী গলাকেটে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠে।

এ ব্যাপারে হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, পারিবারিক কলহের এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে নিহত রতন মিয়ার শ্বশুর দুলাল ও শ্বাশুরীকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

এনিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ‍্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

হালুয়াঘাট সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাফিজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় খাটের ওপর গলাকাটা অবস্থায় রতনের লাশ এবং মেঝেতে গলাকাটা অবস্থায় তার মেয়ে নরিয়ার লাশ পড়েছিল। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নিহত রতনের স্ত্রীর গলাও কিছুটা কাটা রয়েছে। তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড না পারিবারিক বিরোধে মারামারির একপর্যায়ে নিজেরাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা তদন্ত করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ঘটনাস্থল থেকে সুরতহাল শেষে মরদেহ উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

পড়ুন- নেত্রকোনায় সাত শিশুর জিরো কার্বন যাত্রা শুরু

দেখুন- আ. লীগের মতো আমরা প্রতিহিংসার মামলা দিব না: মির্জা ফখরুল |

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন