33.3 C
Dhaka
০৩/০৩/২০২৬, ১৪:৫০ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

এতিমখানার গাছ কাটা অভিযোগ জামায়াত নেতাসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে

জয়পুরহাট সদর উপজেলার চকবরকত এলাকায় সাইয়েদিনা মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ (সা.) দ্বীনি মারকাজ এতিমখানার প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জামায়াতের এক নেতাসহ চারজনের বিরুদ্ধে। গত সোমবারে জয়পুরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এতিমখানার সুপার আমিনুল ইসলাম। তবে দু’দিন পার হলেও প্রতিকার না পেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দৌঁড়ঝাঁপ করছেন কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞাপন

অভিযুক্তরা হলেন- জেলার সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের উত্তর জয়পুর গ্রামের মৃত আতাহার হোসেন মন্ডলের ছেলে নজরুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম, সুলতান মামুন ও তাজরুল ইসলাম। এদের মধ্যে নজরুল ইসলাম জামায়াতের শহর শাখার রোকন এবং সদর উপজেলার জামায়াতের সাবেক আমির।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৯৮১ সালে ধর্মপ্রাণ মানুষের সহায়তায় প্রতিষ্ঠা করা হয় সাইয়েদিনা মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ (সা.) দ্বীনি মারকাজ এতিমখানা। প্রতিষ্ঠার পর লাগানো হয় মেহগনি, শিশুসহ বিভিন্ন প্রজাতির বনজ ও ফলজ গাছ। ১৫ বছর আগে লাগানো ২০টি গাছের মূল্য দাঁড়ায় প্রায় দুই লাখ টাকা। কিন্তু ভুলবশত এতিমখানার সম্পত্তির আরএস রেকর্ড হয় নজরুল ইসলাম গংদের নামে। এরপর সম্পত্তি দখলের হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন তারা। এ অবস্থায় এতিমখানার পক্ষে সুপার আমিনুল ইসলাম জয়পুরহাট ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা করেন, যা এখনো বিচারাধীন।

অভিযোগে বলা হয়, দু’দিন আগে দুপুরে নজরুল ইসলাম গং এতিমখানার মেহগনি ও শিশু গাছ কাটতে শুরু করলে কর্তব্যরত হাফেজ শিক্ষকরা বাধা দেন। এ সময় অভিযুক্তরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং মারধরের হুমকি দেয়। পরে নিরুপায় হয়ে ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে পুলিশের উপস্থিতির খবর পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।

বিষয়টি জানতে জামায়াতের নেতা নজরুল ইসলামকে ফোন করা হলে তিনি অসুস্থতার কথা বলে কলটি কেটে দেন।

জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিছুর রহমান বলেন, খবর পাওয়ার পরই পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পড়ুন- মওদুদ-কাদেরের আসনে লড়বেন এনসিপি’র হুমায়রা

দেখুন- ‘বিএনপি-জামায়াতের বিদ্রোহী প্রার্থীদের জন্য এনসিপির দরজা খোলা’ | 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন