০২/০৩/২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ণ
24.8 C
Dhaka
০২/০৩/২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

জ্বালানি খাতের লক্ষ্য পূরণের সম্ভাবনা ক্রমাগত কমে যাচ্ছে: টিআইবি

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে নীতিগতভাবে প্রাধান্য দেওয়া হয়নি। এ কারণে আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের যে লক্ষ্য তা পূরণ করার সম্ভাবনা ক্রমাগতভাবে কমে যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে ‘বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন: সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে যৌথভাবে গবেষণা প্রতিবেদনটি পাঠ করেন এনার্জি গভর্ন্যান্সের অ্যাসিস্টেন্ট কো-অর্ডিনেটর আশনা ইসলাম এবং কো-অর্ডিনেটর নেওয়াজুল মওলা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের স্থাপিত সক্ষমতা ২৮,৬১৬ মেগাওয়াট, যার মধ্যে নবায়নযোগ্য অংশের স্থাপিত সক্ষমতা মাত্র ১,৩১৪ মেগাওয়াট। ২০১০-২০২৩ সময়কালে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে প্রায় ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ অর্থের বিদেশি বিনিয়োগ হলেও এর ৯৬.৭ শতাংশ জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক খাতে এবং মাত্র ৩.৩ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলাদেশে বর্তমানে ১২২১.৪ মেগাওয়াট সক্ষমতাসম্পন্ন মাত্র ১৭টি গ্রিড সংযুক্ত নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প রয়েছে। জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের সম্প্রসারণ ও কার্বন নিঃসরণের ক্রমবৃদ্ধি প্যারিস চুক্তি, আইএনডিসি এবং টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট (এসডিজি) লক্ষ্যমাত্রার বিপরীত পদক্ষেপ এবং আমদানিকৃত জ্বালানি ও বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা বৃদ্ধি জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

পড়ুন: ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তদন্তের আহ্বান ভারতের

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন