২৬/০২/২০২৬, ১:৪০ পূর্বাহ্ণ
22.4 C
Dhaka
২৬/০২/২০২৬, ১:৪০ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নাইজেরিয়ায় গ্রামে ভয়াবহ হামলায় নিহত অন্তত ৩০

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ার নাইজার প্রদেশে এক গ্রামে সশস্ত্র হামলায় কমপক্ষে ৩০ জন নিহত হয়েছেন। হামলার সময় মোটরসাইকেলে করে এসে হামলাকারীরা বাজারে আগুন লাগিয়ে দেয়, দোকানপাট লুট করে এবং বেশ কিছু মানুষকে তুলে নিয়ে যায়। এমন তথ্যই দিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। কেউ কেউ বলছেন, দীর্ঘদিনের সহিংসতা ও অপহরণের ভয় এখন মানুষের স্বাভাবিক জীবনের সব নিরাপত্তাবোধ কেড়ে নিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, শনিবার কাজুয়ান-দাজি নামের গ্রামটির কাছে থাকা জঙ্গল থেকে হামলাকারীরা বেরিয়ে এসে স্থানীয় বাজারে আগুন দেয়, দোকানপাট লুট করে এবং বহু মানুষকে অপহরণ করে। তবে ঠিক কত জনতে অপহরণ করেছে— তার সঠিক সংখ্যা এখনও জানা যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। বিবিসি হাউসা সার্ভিসকে এক স্থানীয় সাংবাদিক বলেন, ‘বন্দুকধারীরা মোটরসাইকেলে এসে অস্ত্র হাতে মানুষজনকে একত্র করে— তারপর তাদের গলা কেটে, আর অনেককে গুলি করে হত্যা করে।’

সশস্ত্র অপরাধী এসব চক্র স্থানীয়ভাবে ‘ডাকাত’ হিসেবে পরিচিত। তাদের এসব হামলা ও অপহরণের ঘটনা নাইজেরিয়ায় বহুদিনের সমস্যা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলে এমন ঘটনা আরও বেড়েছে। নাইজার স্টেট ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সির কর্মকর্তা আবদুল্লাহি রোফিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গ্রামবাসীদের ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি বিবিসিকে বলেন, ‘এলাকার মানুষ ভয়ে কাঁপছে। তারা লুকিয়ে আছে, কারও সঙ্গে কথা বলতেও ভয় পাচ্ছে। তাদের ভয়— কথা বললে আবার একই পরিণতি হবে’। নাইজার প্রদেশের পুলিশ মুখপাত্র ওয়াসিউ আবিওদুন জানান, আহতদের সহায়তায় জরুরি দল পাঠানো হয়েছে এবং অপহৃতদের উদ্ধারে নিরাপত্তা বাহিনী কাজ করছে।

পশ্চিম আফ্রিকার এই সরকার এসব অপরাধী গোষ্ঠীকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং তাদের মুক্তিপণ দেয়াও আইনত নিষিদ্ধ। তবে অনেক সময় এই নিয়ম উপেক্ষিত হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

হামলার এক প্রত্যক্ষদর্শী বিবিসিকে বলেন, গ্রামে কোনও নিরাপত্তা বাহিনী ছিল না। তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারের সাহায্য চাই। আগে অন্য জায়গার কথা শুনতাম— এখন তা আমাদের গ্রামেই ঘটছে।’

পড়ুন: দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন