ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি জোরদার করেছে কুমিল্লার প্রশাসন। জেলার ১১ আসনের ১৭টি উপজেলায় মোট ১,৪৯১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৯৩৪টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।বিশেষ করে মুরাদনগর ও চৌদ্দগ্রাম আসনের সব ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে নজরদারি জোরদার করতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে।
ইতিমধ্যেই ৫২৮ কেন্দ্রে ক্যামেরা বসানো হয়েছে,আর ৮৪৮ কেন্দ্রে আরও ক্যামেরা বসানো হচ্ছে।দেবিদ্বার ও মেঘনা উপজেলায় অতীত নির্বাচনে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। ২০২১ সালের মেঘনা উপজেলা নির্বাচনে দুজন নিহত এবং অর্ধশতাধিক আহত হয়েছিলেন। দেবিদ্বারে সমর্থকদের সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনাও ঘটেছিল। এই কারণে ওই দুটি উপজেলার বেশিরভাগ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত।
দেবিদ্বার উপজেলার ১১৬টি কেন্দ্রে ৭০টি ঝুঁকিপূর্ণ। এই আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট ও গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য ৯৮ কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সব ১২৭টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। মুরাদনগর উপজেলার ১৫৯টি কেন্দ্রও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সেখানেও বাড়তি নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে।নদীবেষ্টিত মেঘনা উপজেলায় ৩৮টি কেন্দ্রে সেনাবাহিনীর টহল থাকবে। চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের পাঁচটি কেন্দ্রে পুলিশ, আনসার ও সেনা দায়িত্ব পালন করবে।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের নেতৃত্বে অতীতের সহিংসতার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে। জেলার সব কেন্দ্রেই শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে।
পড়ুন- গাংনীতে দু’টি ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার, আটক–১
দেখুন- নৌকার অভাবে ঢাকা-৬ আসনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, জিতবে কে?


