বিজ্ঞাপন

রাঙামাটিতে ২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৪০ শতাংশ

সারা দেশের মতো পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকেও ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল থেকে ভোটাররা ভোট দিতে ভোটকেন্দ্রে আসতে দেখা গেলেও দুপুরের পরে উপস্থিতি কমে গেছে। বিশেষ করে শহরের কেন্দ্রগুলোতে উপস্থিতি কম। তবে পাহাড়ি এলাকায় কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের সারি বেশি। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য মতে, দুপুর ২টা পর্যন্ত মোট ভোট পড়েছে ৪০ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

এদিকে, ভোটের দিন বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর রাঙামাটি জেলা শহরের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, জেলা শহরের ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি দুপুরের পরে কিছুটা কম লক্ষ্য করা গেছে। কেন্দ্রের বাহিরে মানুষের জটলা দেখা গেছে।

অন্যদিকে, দুপুর ১২টায় সাপছড়ি ইউনিয়নের শুকরছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা গেছে ভোটারদের দীর্ঘ সারি। ভোটকেন্দ্রটিতে মোট ভোটার ১ হাজার ৯৪ জন, ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৩৪০। ভোটের সংখ্যা ৩১ শতাংশ। ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৩১ শতাংশ ভোটগ্রহণ হয়েছে।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নানিয়ারচর উপজেলার ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের হাজাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে ভোটারদের কোনো সারি না থাকলেও ভোটাররা এসেই ভোটকক্ষে প্রবেশ করছেন। যাবতীয় কার্যক্রম শেষে ভোট প্রদান করছেন। এই কেন্দ্রে ৩ হাজার ১৩৯জন ভোটার থাকলেও দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ১ হাজার ৩৩৫ টি। যা মোট ভোটের ৪২ শতাংশ। যদিও পাহাড়ি এলাকার কেন্দ্রগুলোতে ধানের শীষ ও ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী ছাড়া বাকি প্রার্থীদের পোলিং এজেন্ট কয়েকটি কেন্দ্র ছাড়া তেমন ছিল না।

বিকেল ৩টার দিকে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিন বলেন, সকাল থেকে দুুপুর ২টা পর্যন্ত ২৯৯ নম্বর রাঙামাটি ২৯৯ মোট ভোট পড়েছে ৪০ দশমিক ৭৫ শতাংশ। আপাতত সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট হচ্ছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলাপ্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, এখনো পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হচ্ছে। তবে বেশ কিছু কেন্দ্রের বাহিরে প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির খবর পেয়েছি।

পড়ুন- মা-বোনেরা বিপ্লব ঘটিয়ে দিয়েছে: হাসনাত

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন