ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ও দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। উত্তপ্ত পরিস্থিতি থেকে প্রাণ বাঁচাতে এক পক্ষ থানা কম্পাউন্ডে আশ্রয় নিলে সেখানেও হামলা চালায় প্রতিপক্ষ। এ সময় দুর্বৃত্তদের লাঠিপেটায় ৩ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৮ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
থানা চত্বরে নজিরবিহীন হামলা ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের নির্বাচনী বিরোধ ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। আজ সকাল ১১ টায় নিরসনের জন্য থানার সামনে বিএনপির পরাজিত প্রার্থী রাশেদ খানের কার্যালয়ে বসে। মিটিংয় চলাকালে স্থানীয় বিএনপি নেতা মতি মিয়া ও পিন্টিুর মধ্যে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে এক পর্যায়ে সংঘর্ষের রুপ নেয় । প্রাণ বাঁচাতে এক পক্ষের নেতাকর্মীরা থানা চত্বরে ঢুকে পড়লে দুর্বৃত্তরা সেখানেও ঢুকে পড়ে। পুলিশের উপস্থিতিতেই বাঁশের লাঠি দিয়ে নেতাকর্মীদের বেধড়ক পিটিয়ে জখম করা হয়।
পার্টি অফিস ভাঙচুর ও সংঘর্ষ চলাকালীন কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে (ধানের শীষের অফিস) ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে উত্তেজিত কর্মীদের হামলায় ৩ পুলিশ সদস্য আহত হন। সব মিলিয়ে উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
হামলার পর দলীয় কার্যালয় ও থানা এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আংশিক বন্ধ রয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেলাল হোসেন জানান, “অভ্যন্তরীণ কোন্দল থেকে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত। থানা চত্বরে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রবেশের চেষ্টা ও পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।


