দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে ১১ দিনে ২৩টি চালানের মাধ্যমে ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে। আমদানি করা চালের চালান বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে নয় ট্রাক চাল ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করেছে। এ নিয়ে ১১ দিনে ২৩টি চালানের মাধ্যমে বেনাপোল বন্দরে ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন চাল আমদানি হলো।এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন।
এই চালের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স। আমদানি করা চাল বন্দর থেকে ছাড় করার জন্য কাজ করছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মেসার্স ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ।
বন্দর সূত্র জানায়, ২৭ জানুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১১ দিনে ২৩টি চালানের মাধ্যমে ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে। এর আগে গত বছরের আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চার মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন চাল। চলতি মাসের ১৮ তারিখে ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। যার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে ৩ মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে আমদানি করা চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে।
বেনাপোলের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুস সামাদ বলেন, ‘ভারত থেকে ১১ দিনে ৯০ ট্রাকে প্রায় ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন মোটা চাল আমদানি করেছি। প্রতি কেজি চাল বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত আমদানিতে খরচ পড়েছে ৫০ টাকা।’ খোলা বাজারে এই চাল প্রতি কেজি ৫১ টাকায় বিক্রি হবে বলে জানান তিনি।
বন্দর পরিচালক শামীম হোসেন জানান, বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ১১ দিনে ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন মোটা চাল আমদানি হয়েছে। আমদানি করা চালের চালানগুলো বন্দর থেকে দ্রুত খালাসের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পড়ুন : চরফ্যাশনে ১৫০ জন ছাত্রদের মাঝে কুরআন তাফসির বিতরণ ছাত্রশিবিরের


