নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলা ভূমি অফিসে জমি খারিজ (নামজারি) করে দেওয়ার কথা বলে এক নারীর কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সময় সালাউদ্দিন নামের এক দালালকে ধরেছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড মো. মিজানুর রহমান। পরে নিজ কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে দালালের কাছ থেকে ভুক্তভোগী নারীর ছয় হাজার টাকা জনসম্মুখে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করেন তিনি।
বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরের দিকে এসিল্যান্ডের সাথে কথা বলে এতথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। এরআগে গতকাল মঙ্গলবার টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করেন তিনি।
জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর নাম মঞ্জুরা খাতুন। তিনি জমি খারিজ করার কাজে দুর্গাপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস এলাকার এক ফটোকপি দোকানি সালাউদ্দিনের শরণাপন্ন হন। সালাউদ্দিন জমি খারিজ করে দেওয়ার চুক্তি হিসেবে ওই নারীর কাছ থেকে ছয় হাজার টাকা গ্রহণ করেন। বিষয়টি এসিল্যান্ডের নজরে আসলে তিনি সালাউদ্দিনকে নিজ কার্যালয়ে ডেকে আনেন এবং জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সালাউদ্দিন ছয় হাজার টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেন। এ সময় এসিল্যান্ড তাকে কঠোর ভাষায় প্রশ্ন করেন, “ভূমি অফিসে কে টাকা চেয়েছে? তহশিলদার, নায়েব, সার্ভেয়ার নাকি এসিল্যান্ড টাকা চেয়েছে?”। সালাউদ্দিন জানান, অফিসের কেউ তার কাছে টাকা চায়নি। এসিল্যান্ড উপস্থিত সবার সামনে জানান, এভাবে প্রতারণায় আইন অনুযায়ী জেলে যাওয়ার মতো অপরাধ। এরপর তিনি সালাউদ্দিনকে তাৎক্ষণিক ছয় হাজার টাকা মঞ্জুরা খাতুনকে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন। এসিল্যান্ডের কড়া নির্দেশে সালাউদ্দিন পকেট থেকে টাকা বের করে নারীকে বুঝিয়ে দেন।
এ বিষয়ে এসিল্যান্ড মো. মিজানুর রহমান জানান, সালাউদ্দিনের এটিই প্রথম অপরাধ হওয়ায় তাকে আপাতত কোনো আর্থিক জরিমানা বা জেলের শাস্তি দেওয়া হয়নি। তবে ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের প্রতারণামূলক কাজে জড়িত না হন, সেজন্য তার কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়েছে এবং সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
পড়ুন- ডেপুটি স্পিকারের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে জামায়াত
দেখুন- ই/স/রা/য়ে/ল ও বিভিন্ন মা/র্কি/ন ঘাঁটিতে ইরানের তীব্র হা/ম/লা


