নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিনকে জড়িয়ে একাধিক আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠেছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে দুটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে নানা মন্তব্য করতে দেখা যায় নেটিজেনদের। তবে ভিডিও দুটি সম্পূর্ণ ভুয়া বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট ইউএনও মো.আলাউদ্দিন। তিনি দাবি করেন, শত্রুতাবশত কেউ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড ও ২৯ সেকেন্ডের ভিডিও দুটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়ার পর সোমবার সকালেই ইউএনও কর্মস্থল ত্যাগ করে জেলা সদরের উদ্দেশে রওনা দেন। এরপর থেকে তিনি আর কারো ফোন রিসিভ করছেন না। তবে সকাল ৯টার দিকে কর্মস্থলে আসেন। এরপর তড়িগড়ি করে ইউএনও জেলা সদরে গেছেন। যাওয়ার আগে তিনি অফিসে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। ইউএনও কার্যালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, সামাজিক মাধ্যমে দুটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি তারা শুনেছেন। তবে এখন পর্যন্ত ওই নারীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আবার অনেকে ধারণা করছে, ইউএনও হানিট্রাপে পড়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে ইউএনও মো. আলাউদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। তবে তিনি এক গণমাধ্যমকর্মীকে জানিয়েছেন, পূর্বের কর্মস্থলের কিছু বিরোধের জেরে কেউ এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাকে নিয়ে মিথ্যা ভিডিও তৈরি করে অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করছে। বিষয়টি প্রতিহত করতে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছেন।
এ বিষয়ে নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, বিষয়টি তিনি গণমাধ্যমের মাধ্যমে জেনেছেন। ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন। তিনি আরও জানান, ইউএনও সোমবার সকালে তার দপ্তরে ছুটির আবেদন জমা দিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করেছেন।
পড়ুন : পটিয়ার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আমি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : এনামুল হক এনাম এমপি


