বিজ্ঞাপন

দৌলতদিয়ায় বাসডুবি: কুমারখালী থেকে ওঠা দুই পরিবারের শিশুসহ তিনজন নিখোঁজ

বেলা ২টা ২০ মিনিটে কুষ্টিয়া কুমারখালীর পৌর টার্মিনাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা করা সৌহার্দ্য পরিবহনে থাকা দুই পরিবারের শিশুসহ তিনজন নিখোঁজ রয়েছে।

এছাড়া বাসের ভেতরে থাকা ৬ জন যাত্রী ও কোলে থাকা দুই শিশুর পরিচয় মিলেছে। তারা হলেন – গিয়াস উদ্দিন ইমরান (৪৫), তার স্ত্রী লিটা খাতুন (৩৭) এবং তাদের সন্তান আবুল কাসেম সাফি (১৭) ও আয়েশা বিন্তে গিয়াস (১৩)। গিয়াস খোকসা উপজেলার শোমসপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি কুমারখালী পৌর ভবন এলাকার মৃত বকুল বিশ্বাসের জামায়। শ্বশুরবাড়িতে ঈদের ছুটি কাটিয়ে পরিবার নিয়ে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ঢাকার তাকওয়া ফুড প্রোডাক্টের কারখানায় ফিরছিলেন। বাকিরা হলেন: মো. নুরুজ্জামান (৩২), তার স্ত্রী আয়েশা আক্তার (৩০) এবং তাদের সন্তান নওয়ারা আক্তার (৪) ও আরশান (৭ মাস)। তারা ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের খোন্দকবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা।

নুরুজ্জামান ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করেন। এই দুটি পরিবারের মধ্যে আয়েশা, আরশান ও আয়েশা বিন্তে গিয়াস নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। জানতে চাইলে মুঠোফোনে নুরুজ্জামান বলেন,‘বাড়ির কাছাকাছি হওয়ায় কুমারখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে ঢাকা যাওয়া আসা করি। ছুটি শেষে সৌহার্দ্য পরিবহনে করে ঢাকা যাচ্ছিলাম। পথে ফেরিতে ওঠার সময় গাড়ি সিরিয়ালে ছিল। তখন আমি আর বড় মেয়ে নাওয়ারা বাস থেকে নেমে যাই। আর স্ত্রী আয়েশা ও ছোট মেয়ে আরশান বাসেই ছিল। পরে বাসটি নদীতে পড়ে যায়। এখন পর্যন্ত স্ত্রী আর ছোট মেয়ের সন্ধান পাইনি।’

এ বিষয়ে যাত্রী গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘বাসের সঙ্গে আমার স্ত্রী লিটা ও মেয়ে আয়েশা পানিকে ডুবে যায়। পরে স্ত্রীকে স্থানীয়রা উদ্ধার করলেও মেয়েকে এখনও পাইনি। কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) ফারজানা আখতার বলেন, কুমারখালী থেকে শিশুসহ আটযাত্রী নিয়ে বাসটি ছেড়ে গিয়েছিল। তাদের বাড়ি খোকসা ও শৈলকূপা উপজেলায়। আটজনের মধ্যে তিনজন নিখোঁজের তথ্য পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৪

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন