রংপুরের পীরগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ ও অশ্লীল ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকির মামলায় প্রধান আসামি শিমিয়ন হাঁসদা সৈকতকে (২০) গ্রেপ্তার করেছে র্যা পিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব। আত্মগোপনে থাকা এই আসামিকে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর ১২টায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র্যা ব-১৩ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তারকৃত শিমিয়ন হাঁসদা সৈকত জয়পুরহাটের পাঁচবিবি থানার ভিমশহর সোনাপুর গ্রামের সুরেন হাঁসদার ছেলে।
র্যা বের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২২ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পীরগঞ্জের এক তরুণীর সঙ্গে সৈকতের পরিচয় হয়। দীর্ঘদিন ধরে মোবাইলে যোগাযোগের এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর সূত্র ধরে সৈকত ওই তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। গত ১৪ জানুয়ারি দুপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীর নিজ বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সে।
পরে ওই তরুণী বিয়ের জন্য চাপ দিলে সৈকত তাকে পুনরায় শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হলে গোপনে ধারণ করা অশ্লীল ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় সৈকত। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী নিজে বাদী হয়ে গত ১৭ মার্চ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে পীরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর থেকে আসামি সৈকত কৌশলে আত্মগোপনে চলে যায়। পরে গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে র্যা ব-১৩ (রংপুর) এবং র্যা ব-৫ (জয়পুরহাট)-এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গত ২৯ মার্চ বিকেলে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি থানাধীন বাগজানা ইউনিয়নের ভিপমপুর গ্রামে অভিযান চালায়। সেখানকার একটি ইটভাটার সামনে থেকে প্রধান আসামি সৈকতকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যা ব-১৩ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
পড়ুন: চাহিদামতো জ্বালানি পাচ্ছে না ফিলিং স্টেশন, ৮ দফা দাবি মালিকদের
আর/


