বরগুনার তালতলী উপজেলার ঝাড়াখালী আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ঘরটি অতি সম্প্রতি কালবৈশাখী ঝড়ে বিধ্বস্ত হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের খোলা আকাশের নিচে পাঠদান চলছে। এতে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের ঝাড়াখালী আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু প্রতিষ্ঠার ৩৩ বছর পার হলেও মেলেনি পাকা ভবন। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ১৫৪ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। যার মধ্যে নিয়মিত ১২০ জনেরও বেশি উপস্থিত থাকেন। বিদ্যালয়টিতে শিক্ষক রয়েছেন ৬ জন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সম্প্রতি কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যালয়ের ঘরটি বিধ্বস্ত হয়ে যায়। এতে পাঠদান অনুপোযোগী হয়ে পড়ছে বিদ্যালয়ের ঘরটি। তাই বেঞ্চ ও টেবিল-চেয়ার নিয়ে খোলা আকাশের নিচে বিদ্যালয়ের মাঠে চলছে পাঠদান। শিক্ষার্থীরা প্রচণ্ড গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত। ঘেমে-নেয়ে একাকার। ফলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি নিরাপত্তা নিয়েও দেখা দিয়েছে উদ্বেগ। যেকোনো সময় ঝড়-বৃষ্টি এলে একদম বন্ধ হয়ে যাবে শিক্ষা কার্যক্রম।
শিক্ষার্থী অভিভাবক আব্দুর রহিম, কারিমা বেগম ও মরিয়ম বেগম বলেন, ‘প্রচণ্ড গরমের মধ্যে শিশুরা মাঠে বসে লেখাপড়া করলেও বর্ষায় তো সম্ভব হবে না। তখন লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাবে। তাই দ্রুত বিদ্যালয়ের ঘরটি পুনঃনির্মাণ করা দরকার।’
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবু হানিফ বলেন, ‘বর্তমানে বিদ্যালয়টি একদম বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে আছে। তাই জরুরি ভিত্তিতে মেরামত বা নতুন ভবন নির্মাণ ছাড়া পাঠদান স্বাভাবিক রাখা সম্ভব নয়। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।’
তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। শিগগিরই বিদ্যালয়টি মেরামতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
পড়ুন:বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১
দেখুন:পদ্মায় নিখোঁজের ৪৩ ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রের ম-র-দে-হ উদ্ধার |
ইমি/


