বিজ্ঞাপন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জ্বালানি সংকটের প্রভাব: ফিলিং স্টেশনের যন্ত্রাংশ নষ্টের আশঙ্কা, চাপে মালিকরা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে জেলার অধিকাংশ ফিলিং স্টেশন মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। পর্যাপ্ত তেল মজুদ না থাকায় স্টেশনগুলোর পাম্পের যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিশ্বরোড মোড় এলাকায় একটি ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন শেষে এসব তথ্য জানান বিএসটিআই’র রাজশাহী বিভাগীয় সহকারী পরিচালক আজিজুল হাকিম।

তিনি বলেন, “নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ফিলিং স্টেশনের ট্যাংকে অন্তত ৭৫০ লিটার জ্বালানি মজুদ রাখা বাধ্যতামূলক। কিন্তু বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণে অনেক স্টেশন মালিক সেই নির্দেশনা মানতে পারছেন না। এতে করে ট্যাংকে পর্যাপ্ত তেল না থাকলে পাম্প থেকে জ্বালানি উত্তোলনের সময় ওজনে কম পাওয়া যেতে পারে এবং পাম্পের যন্ত্রাংশ দ্রুত নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।”

তিনি আরও জানান, এই পরিস্থিতিতে বিএসটিআই নিয়মিত মনিটরিং জোরদার করেছে এবং স্টেশন মালিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও সতর্কতা প্রদান করছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এই সমস্যার সমাধানে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে, ফিলিং স্টেশন মালিকরা বলছেন, তারা বর্তমানে দ্বিমুখী চাপে রয়েছেন। একদিকে তীব্র জ্বালানি সংকট, অন্যদিকে প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ও জরিমানা—এই দুইয়ের মধ্যে পড়ে ব্যবসা পরিচালনা করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে উঠেছে। অনেক মালিকের দাবি, পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ রাখতে না পারলেও প্রশাসনিকভাবে শাস্তির মুখে পড়তে হচ্ছে, যা তাদের আর্থিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে এবং মাঠ পর্যায়ে বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নীতিমালা প্রয়োগ না করা হলে এই সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে।

পড়ুন:গাজীপুরে চিলাই খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন, দূর হবে জলাবদ্ধতা

দেখুন:ফেরিতে উঠতে গিয়ে যাত্রীসহ বাস উল্টে পড়লো পদ্মায় 

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন