বিজ্ঞাপন

কত কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক বিজয়?

তামিল সিনেমার থালাপতি বিজয় এখন রাজনীতির ময়দানে। ২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে নিজের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব দাখিল করেছেন এই তারকা। আর সেই হলফনামা প্রকাশ্যে আসতেই চোখ কপালে উঠেছে নেটিজেনদের।

বিজ্ঞাপন

২০২৬ সালের হিসেবে দেশের অন্যতম ধনী অভিনেতা-রাজনীতিকের তকমা এখন বিজয়ের গায়ে। অস্থাবর সম্পদের খতিয়ান হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, বিজয়ের অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৪০৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে প্রায় ১৮৪ কোটি টাকা। 

অবাক করার মতো বিষয় হলো, কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়া সত্ত্বেও বিজয়ের হাতে নগদ রয়েছে মাত্র ২ লাখ টাকা। তবে তার বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা রয়েছে পাহাড়সম অর্থ, যার পরিমাণ প্রায় ৩২০ কোটি টাকা।

পরিবারের আর্থিক অবস্থা বিজয়ের দুই সন্তান জেসন সঞ্জয় ও দিব্যা সাশার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা আছে প্রায় ৪ লাখ টাকা। অন্যদিকে, তার স্ত্রী সঙ্গীতা সোরনালিঙ্গম-এর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমার পরিমাণ প্রায় ১০ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। অলঙ্কার বিলাসিতায় পিছিয়ে নেই তার স্ত্রী সঙ্গীতার কাছে থাকা সোনা, রুপো ও হিরের গয়নার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১৫ কোটি ৫১ লাখ টাকা।

সম্পদ গড়ার পাশাপাশি অন্যকে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রেও বেশ উদার থালাপতি বিজয়। তিনি মোট ৭৬ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছেন। এই ঋণের গ্রহীতাদের তালিকায় রয়েছেন তার বাবা এস. এ. চন্দ্রশেখর ও মা শোভা চন্দ্রশেখর। এমনকি নিজের স্ত্রী ও সন্তানদেরও মোটা অঙ্কের টাকা ঋণ দিয়েছেন এই মেগাস্টার।

স্থাবর সম্পত্তির দাপট বাড়ি ও জমির দিক থেকেও বিজয় রীতিমতো ঈর্ষণীয় অবস্থানে। হলফনামা অনুযায়ী, বিজয়ের নামে রয়েছে একাধিক বিলাসবহুল বাড়ি ও জমি। নীলঙ্করাই, উরুর, মইলাপুর, পল্লিপাট্টু, পদুর, কোরাট্টুর, সলিগ্রাম ও শোলিঙ্গানাল্লুরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তার স্থাবর সম্পত্তি ছড়িয়ে রয়েছে।

পড়ুন:একুশে পদকপ্রাপ্ত সঙ্গীতশিল্পী ডালিয়া নওশীন আর নেই

দেখুন:এক মাসে ৬৬৪ কোটি টাকা আয়! বস্মিয় সৃষ্টকিারী কে এই যুবক?

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন