বিজ্ঞাপন

ত্রিশালে বাবার হাতে তিন বছরের শিশু খুন, সৎ মা-সহ বাবা গ্রেফতার

ময়মনসিংহের ত্রিশালে বাবা কর্তৃক তিন বছরের শিশু খুন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার ৯ ঘন্টা পর ঐ শিশুর সৎ মা-সহ পাষান্ড বাবাকে গ্রেফতার করছে ত্রিশাল থানা পুলিশ।।

বিজ্ঞাপন

বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ ঘটিকার দিকে উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের রায়েরগ্রাম ভাটিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঐ শিশুর নাম লাবিব (৩)। নিহত শিশু লাবিব স্থানীয় বাসিন্দা লামিয়া আক্তার পিতা সোহাগের সন্তান।


স্থানীয় ও ত্রিশাল থানা পুলিশ সূত্রে প্রাথমিক ভাবে জানা যায়, ডিসিসটের পিতা সোহাগ চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। তিনি একাধিক বিয়ে করেছেন এবং নিহত শিশুর মা লামিয়া তার তৃতীয় স্ত্রী। পারিবারিক কলহের জেরে দীর্ঘদিন ধরে লামিয়া তার সন্তান লাবিবকে নিয়ে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। নিহতের নানা মোঃ মোজাম্মেল হক (ওজা মিয়া) জানান, বুধবার বিকাল অনুমান ৩ ঘটিকার সময় ভিকটিমের পিতা সোহাগ ভিকটিম লাবিব (৩) কে তার নানার বাড়ি থেকে নিজের বাড়িতে নেওয়ার কথা বলে নানার বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে একই তারিখ সন্ধ্যা সাড়ে ৬ ঘটিকার সময় ভিকটিম এর নানার বাড়ি থেকে প্রায় ৮শত গজ দূরে ইলিয়াসের বাড়ির পাশে শিশুটির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।


ত্রিশাল থানার ওসি মুহাম্মদ ফিরোজ হোসেন বৃহস্পতিবার দুপুরে জানান, স্থানীয় লোকজন ভিকটিম লাবিবের (৩) মৃত তদেহ দেখতে পেয়ে ত্রিশাল থানা পুলিশকে খবর দিলে ত্রিশাল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মৃতদেহ সুরতাল রিপোর্ট প্রস্তুত করতঃ আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। তিনি আরো জানান, সোহাগের প্রথম স্ত্রী জাকিয়ার বাড়ি গফরগাঁও উপজেলার যশোরা ইউনিয়নের বাকুড়া থেকে ঘটনার ৯ ঘণ্টার মধ্যে বৃহস্পতিবার আনুমানিক রাত ৩ টায় ঘাতক বাবা সোহাগ (৩০) কে এবং সোহাগের প্রথম স্ত্রী জাকিয়াকে আমার নেতৃত্বে
গ্রেফতার করা হয়েছে।

তার অপর স্ত্রী খুন হওয়া শিশুর মা লামিয়া আক্তার তার সাথে সংসার করতে রাজী না হওয়ায় ও কথা না শুনায় ক্ষোভে তার সন্তান কে সে হত্যা করে বলে থানার প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়।এ নির্মম হত্যাকাণ্ডে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চলের সৃষ্টি করেছে।

পড়ুন- নীলফামারীতে অজ্ঞান পার্টির তিন সদস্য গ্রেপ্তার

দেখুন- সীতাকুণ্ডে ১৫ মাসে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে অপরাধের মাত্রা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন