বিজ্ঞাপন

জয়পুরহাট চিনিকলে তিন দফার দাবিতে শ্রমিক-কর্মচারীদের বিক্ষোভ

স্থায়ী পদে মৌসুমী জনবলকে সমন্বয়, মজুরি কমিশনের শ্রমিকদের ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধা প্রদান এবং সাশ্রয় নীতির অজুহাতে বন্ধ থাকা আর্থিক সুবিধা চালুর দাবিতে জয়পুরহাটে ফটক সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

রোববার (৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় জয়পুরহাট চিনিকলের (জচিক) অস্থায়ী ইউনিয়ন ভবন কার্যালয়ে জচিক শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়। দাবি আদায় না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন শ্রমিক নেতারা।

শ্রমিক-কর্মচারীদের প্রধান তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- ১৫ মে ২০২৪ তারিখে জারি করা স্থগিতাদেশটি অবিলম্বে প্রত্যাহার করে মৌসুমী জনবল থেকে যোগ্যতার ভিত্তিতে অভ্যন্তরীণভাবে স্থায়ী পদে সমন্বয় করা। যাতে ৫ বা ১০ বছর অন্তর পদোন্নতির মাধ্যমে দক্ষ জনবল তৈরি করা যায়। একইসঙ্গে স্থায়ী শূন্য পদে কোনো দৈনিক হাজিরা বা অবসরপ্রাপ্ত জনবল নিয়োগ দেওয়া যাবে না।

তাদের দ্বিতীয় দাবিটি হলো- দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে বিগত সরকারের ঘোষিত ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধার টাকা পে-কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ১ জুলাই ২০২৫ থেকে পেলেও মজুরি কমিশনের শ্রমিকরা তা পাচ্ছেন না। এ বিষয়ে দ্রুত অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পরিপত্র জারি করতে হবে। এছাড়া আগামীতে কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের নতুন স্কেল একসঙ্গে ঘোষণা করার দাবি জানান তারা।

তৃতীয় দাবিতে বলা হয়, ২০১৬ সালের সাশ্রয় নীতির অজুহাতে সদর দপ্তরের বোর্ড সভার সিদ্ধান্তে শ্রমিক-কর্মচারীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হয়। বর্তমানে ২০০২ সালের সেটআপ অনুযায়ী মিলের কার্যক্রম চললেও সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না। তাই অবিলম্বে সাশ্রয় নীতির চিঠি প্রত্যাহার করে পূর্বের মতো সকল আর্থিক সুবিধা প্রদান করতে হবে।

জচিক শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আলী আকতারের সভাপতিত্বে ফটক সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ চিনিশিল্প করপোরেশন শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জায়েদ হোসেন। এছাড়া আরও বক্তব্য দেন জয়পুরহাট চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান, প্রচার সম্পাদক আনিসুর রহমান ও কার্যকরী সদস্য সোহেল রানা প্রমুখ।

পড়ুন:আজ শুরু হচ্ছে হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি

দেখুন:কেন পাকিস্তানে গেলেন বিসিবি সভাপতি? 

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন