চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে দিদারুল আলম (৪৪) নামে এক ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে ও মাথায় ইট দিয়ে থেঁতলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। তিনি নগরীর রিয়াজুদ্দিন বাজারের একজন ব্যবসায়ী।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার মইজ্জ্যারটেক ইউসিবি ব্যাংকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আবু তৈয়ব (৪৫)-কে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।
নিহত দিদারুল আলম পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নের কালারপোল মোহাম্মদনগর এলাকার মৃত আহম্মদ মিয়ার ছেলে। অভিযুক্ত আবু তৈয়ব একই এলাকার মৃত কবির আহম্মেদের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত দিদারুল আলম ও অভিযুক্ত আবু তৈয়ব বন্ধু ছিলেন। দিদারুলের নগরীর রিয়াজুদ্দিন বাজারে একটি স্টেশনারির দোকান রয়েছে। ওই দোকানে চাকরি করতেন আবু তৈয়ব।
দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক লেনদেন নিয়ে তৈয়ব ও দিদারুলের মধ্যে মতবিরোধ চলছিল। এসব নিয়ে এলাকায় একাধিকবার শালিসি বৈঠকও হয়।
শুক্রবার রাতে দিদারুল বাড়ির কাজ শেষ করে নগরীর বাকলিয়ার বাসায় ফিরছিলেন। পথিমধ্যে মইজ্জ্যারটেক পৌঁছালে অভিযুক্ত তৈয়ব আগে থেকে ওঁৎ পেতে থেকে দিদারুলকে পিটিয়ে ও মাথায় ইট দিয়ে থেঁতলে হত্যা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
দিদারুল আলমের প্রতিবেশী এম.এ. রহিম জানান, প্রবাসে বিপাকে পড়ে দেশে ফেরেন আবু তৈয়ব। পরে বন্ধু হিসেবে দিদারুল তাকে দোকানে কাজের সুযোগ দেন। কিন্তু বিভিন্ন সময় তৈয়ব তার কাছে টাকা দাবি করতেন। অথচ তার কাছে কোনো টাকা পেতেন না। শেষ পর্যন্ত তাকেই হত্যা করা হয়েছে।
দিদারুল আলমের চাচাতো ভাই আনোয়ার হোসেন জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরে দিদারুলকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনূর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিকভাবে পাওনা টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানা গেছে। অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
পড়ুন : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাল্যবিবাহ বন্ধ, বিয়ে বাড়ির খাবার গেল এতিমখানায়


