বিজ্ঞাপন

ইলিয়াস আলী গুমের ১৪ বছর

২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকার বনানীর বাসার কাছ থেকে তুলে নেওয়া হয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সংসদ সদস্য এম. ইলিয়াস আলী এবং তার গাড়িচালক আনসার আলীকে। এরপর থেকে তাদের আর কোনো হদিস মেলেনি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ইলিয়াস আলীকে ঘিরে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে পরিবারও তাকে ফিরে পাওয়ার আশা ছেড়ে দেয়।

বিজ্ঞাপন

৫ আগস্টের পর ইলিয়াস আলী গুমের মামলা নতুন মোড় নেয়।

গত ১২ মার্চ সংসদের প্রথম অধিবেশনে ইলিয়াস আলীর জন্য শোকপ্রস্তাব আনা হলে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। এর আগে ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক সদস্যের জবানবন্দিতে কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। পাশাপাশি ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মামুন খালেদের দেওয়া তথ্যের সূত্র ধরে আরেক গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে জেরা করার পরিকল্পনার কথা জানায় ট্রাইব্যুনাল। এতে ইলিয়াস আলীর ভাগ্যে কী ঘটেছিল, তার প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আশা প্রকাশ করেন চিফ প্রসিকিউটর।

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, “ইলিয়াস আলীকে যারা অনুসরণ করেছিল, তাদের কল লিস্ট থেকে আমরা জানতে পেরেছি যে তারা সেদিন তাকে ফলো করেছিল। আরও কিছু তথ্য আমরা পেয়েছি। ট্রাইব্যুনালে মেজর জিয়াউল আহসানের মামলার সাক্ষীদের জবানবন্দিতেও ইলিয়াস আলীর গুমের সঙ্গে কিছু যোগসূত্র পাওয়া গেছে। ভবিষ্যতে সাক্ষ্য থেকে আরও তথ্য পাওয়া যাবে বলে আমরা আশা করছি।”

তিনি আরও বলেন, ইলিয়াস আলী গুমের ঘটনায় তদন্ত কার্যক্রম জোরদারভাবে চলছে। একটি গঠনমূলক তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মানবাধিকার কর্মী নূর খান বলেন, সরকার আইনের সঠিক প্রয়োগ করলে শুধু ইলিয়াস আলী নয়, সব গুমের রহস্য উন্মোচন করা সম্ভব।

এদিকে ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে মামুন খালেদ দাবি করেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ইলিয়াস আলীকে গুম করা হয়।

পড়ুন: ইরানের সঙ্গে চুক্তি হলে পাকিস্তান যেতে পারি: ট্রাম্প

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন