বিজ্ঞাপন

ছয় গ্রাম নিয়ে ‘বরিশল ইউনিয়ন’ গঠনের উদ্যোগ, গণশুনানিতে আখাউড়ার পক্ষে জোর দাবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ছয়টি গ্রাম নিয়ে নতুন ‘বরিশল ইউনিয়ন’ গঠনের প্রস্তাব এবং সেটিকে আখাউড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করার দাবিতে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে বরিশল ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত এ গণশুনানিতে ছয় গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন।

বিজ্ঞাপন


গণশুনানি শেষে জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, আখাউড়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পক্ষে স্থানীয়দের বক্তব্য ও তাদের যোগাযোগ সুবিধার বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে এবং পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রস্তাবিত ‘বরিশল ইউনিয়ন’ গঠনের জন্য যে ছয়টি গ্রাম নির্ধারণ করা হয়েছে, সেগুলো হলো—বরিশল, বৈষ্ণবপুর, কোড্ডা, কোড়াবাড়ি, শ্যামনগর ও চান্দি। বর্তমানে এসব গ্রাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত। ওই ইউনিয়নে মোট ১৬টি গ্রাম রয়েছে।


স্থানীয়দের দাবি, ভৌগোলিক কারণে আখাউড়ার সঙ্গে তাদের যোগাযোগ অনেক সহজ। বরিশল গ্রামের বাসিন্দা মো. সালাউদ্দিন বলেন, “শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ প্রায় সব ক্ষেত্রেই আমাদের নির্ভরতা আখাউড়ার ওপর। আখাউড়া যেতে সময় লাগে দুই থেকে তিন মিনিট, অথচ জেলা সদরে যেতে প্রায় এক ঘণ্টা সময় লাগে। তাই আমরা দীর্ঘদিন ধরে আখাউড়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার দাবি জানিয়ে আসছি।”


নতুন ইউনিয়ন গঠনের প্রস্তাবটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে জমা দেন জেলা বিএনপির সদস্য ও ব্যবসায়ী কবীর আহমেদ ভূঁইয়া। তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেয়। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে তদন্তপূর্বক মতামত দিতে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) চিঠি দেওয়া হয়।
বর্তমানে এ বিষয়ে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পাশাপাশি বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়ন কিংবা কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নকে আখাউড়ার সঙ্গে যুক্ত করার সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে।


লন্ডনে অবস্থানরত কবীর আহমেদ ভূঁইয়া মুঠোফোনে বলেন, “প্রস্তাবিত ছয়টি গ্রামের মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম আখাউড়াকেন্দ্রিক। কিন্তু প্রশাসনিকভাবে জেলা সদরের সঙ্গে যুক্ত থাকায় তারা নানা সেবায় বঞ্চিত হচ্ছেন। নতুন ইউনিয়ন গঠন হলে এ অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নত হবে।”


গণশুনানিতে অংশ নেওয়া স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রশাসন ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবে এবং দীর্ঘদিনের দাবির বাস্তবায়ন হবে।

পড়ুন- যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার অর্ধেক শেষ, বড় সামরিক ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র

দেখুন- ইসরায়েলকে একা ফেলে সরে যাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন?

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন