বিজ্ঞাপন

পাবনায় ঋণের কিস্তি চাইতে গিয়ে এনজিও কর্মকর্তাদের ওপর সশস্ত্র হামলা, আহত ৩

​পাবনায় ঋণের বকেয়া টাকা আদায় করতে গিয়ে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) কর্মকর্তাদের ওপর সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন কর্মকর্তা গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় পাবনা সদর উপজেলার চর ঘোষপুর এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

​আহতরা হলেন—বেসরকারি সংস্থা ‘ওসাকা’-এর সহকারী ব্যবস্থাপক মো. রাকিবুল ইসলাম (৩০), উপ-ব্যবস্থাপক মো. বাকী বিল্লাহ (৩৫) এবং শাখা ব্যবস্থাপক মো. রবিউল ইসলাম (৩৬)। তাদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ওসাকা এনজিওর চর ভবানীপুর শাখা থেকে জাকিয়া খাতুন নামের এক গ্রাহক মৌসুমী ঋণ গ্রহণ করেছিলেন। এপ্রিল মাসে ঋণের টাকা পরিশোধের সময় হলেও তিনি তা না দিয়ে টালবাহানা করছিলেন। বুধবার সন্ধ্যায় জাকিয়া খাতুন ঋণের টাকা দেওয়ার কথা বলে সহকারী ব্যবস্থাপক রাকিবুল ইসলামকে নিজ বাড়িতে ডেকে নেন।

​অভিযোগ উঠেছে, সেখানে আগে থেকেই ওৎ পেতে থাকা জাকিয়ার স্বামী রেজাউল ও তার পরিবারের সদস্যরা রাকিবুলের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তাকে লোহার রড ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। খবর পেয়ে সহকর্মী বাকী বিল্লাহ ও রবিউল ইসলাম ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপরও সশস্ত্র আক্রমণ করা হয়। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

​হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহত রাকিবুল ও বাকী বিল্লাহর মাথায় গুরুতর জখম হওয়ায় তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ চোট নিশ্চিত হতে বাকী বিল্লাহর সিটি স্ক্যান করা হয়েছে। এছাড়া রবিউল ইসলামের শরীরে বিভিন্ন স্হানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. ইলিয়াস হোসেন বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে পাবনা সদর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত রেজাউলকে আটক করেছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। মামলার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : মেহেরপুরের বেতবাড়িয়া এসএসসি কেন্দ্রে এক ছাত্রী বহিষ্কার, ৩ কক্ষ পরিদর্শককে অব্যাহতি

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন