বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার উন্নয়নে ১৯টি সুপারিশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন। এর মধ্যে ছয়টি সুপারিশকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে তারা। পাশাপাশি, নির্বাচনে প্রার্থীদের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর দেওয়া প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন আগামীতে ঘটবে বলে প্রত্যাশা জানিয়েছে ইইউ।
এছাড়া, গত জাতীয় নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর কোনো অভিযোগ পায়নি বলেও জানায় ইইউ নির্বাচন মিশন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব সুপারিশ করেন ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস।
ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ইভার্স ইজাবস বলেন, “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো ধরনের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং আমাদের চোখে পড়েনি। যদি কোনো রাজনৈতিক দলের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে অভিযোগ থাকে, তারা আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “২০০৮ সালের পর এমন বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের ওপর জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে। সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে, নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট ছিল এবং ফলাফল প্রকাশ নিয়ে কোনো অস্বচ্ছতার অভিযোগ ছিল না।”
পড়ুন:
আর/


