বিজ্ঞাপন

ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক মন্ত্রী

পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক মন্ত্রী মহসিন রেজা নাকভি দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আজ শুক্রবার ঢাকায় আসছেন। বর্তমান সরকারের মেয়াদে পাকিস্তানের কোনো মন্ত্রীর এটিই প্রথম বাংলাদেশ সফর। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সফরটিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ও নীতিনির্ধারকরা।

বিজ্ঞাপন

দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবার ভোর ৪টা ৪০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স–এর একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর–এ পৌঁছাবেন। সফরে তার সঙ্গে স্ত্রীও থাকবেন। এ উপলক্ষে পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

সফরসূচি অনুযায়ী, আজ দুপুরে ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল–এ বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ–এর সঙ্গে মহসিন নাকভির দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ ও সন্ত্রাস দমনে দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হওয়ার কথা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে বিস্তৃত আন্তর্দেশীয় মাদক পাচার চক্র ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন রোধে এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি আন্তর্দেশীয় অপরাধ দমন, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং সাইবার নিরাপত্তা নিয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হবে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান হয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়া মাদকের রুট নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইয়াবা, আইস ও হেরোইনের নতুন রুট এবং নেটওয়ার্কের কারণে বাংলাদেশও চাপে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পাচার রুট শনাক্তকরণ ও গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানে যৌথ নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি হয়ে উঠেছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারক সই হলে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে উগ্রবাদী প্রচারণা এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ শনাক্ত করার কাজ আরও সহজ হবে।

পড়ুন: ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন