বিজ্ঞাপন

রাতভর অভিযান: নেত্রকোনায় মাদক ও মারামারি মামলার ৮ আসামি গ্রেপ্তার

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক মামলায় দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিসহ আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টা থেকে শুক্রবার (৮ মে) ভোর ৫টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে মদন থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে প্রধান আসামি মো. জাহান মিয়া (৩৬) উপজেলার আলমশ্রী দক্ষিণপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ জানায়, জাহান মিয়া এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে দুইশো পিস ইয়াবাসহ পুলিশ তাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছিল। পরবর্তীতে তিনি আদালত থেকে জামিন নিয়ে আত্মগোপনে চলে যান। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি নেত্রকোনা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ জাহান মিয়াকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। সাজা ঘোষণার পর থেকেই গ্রেফতার এড়াতে তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে ছিলেন।

অভিযানে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত জাহান মিয়া ছাড়াও জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও মারামারির ঘটনায় আরও সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- বারবুড়ি গ্রামের আবদুল কাদির, আবদুল কাদিরের ছেলে মো. শাহেদ মিয়া, মো. আনসার মিয়া, একই গ্রামের খোকন মিয়া, আবদুল হাকিম, আবদুল হাকিমের ভাই আবদুল হেকিম, আবদুল হাকিমের ছেলে ইব্রাহিম মিয়া।

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে তার নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আট আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

ওসি আরও নিশ্চিত করেন যে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের আজ (শুক্রবার) দুপুরে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতের সোপর্দ করা হয়েছে এবং আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। অপরাধীদের দমনে পুলিশের এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : নেত্রকোনায় পরিত্যক্ত ঘরে মাদক সেবনের আড্ডা, ৫ জনের জেল-জরিমানা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন