নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার পিএইচডির শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিকে মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করা হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৮ মে) ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার বসন্তকালীন সমাবর্তনে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। লেখাপড়া শেষ না করা সত্ত্বেও বাংলাদেশি এই দুই শিক্ষার্থীকে দেয়া এই সম্মাননাকে বিরল বলাই চলে।
মিয়ামির বাংলাদেশ কনস্যুলেট অফিসে কর্মরত একজন প্রতিনিধি উপস্থিত থেকে জামিল ও বৃষ্টির পরিবারের পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করেন। এর আগে বাংলাদেশ কনস্যুলেটকে চিঠি দিয়ে এ সম্মাননা দেয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
এদিকে শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির মরদেহ এখন দেশের পথে রয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৭ মে) সন্ধ্যায় ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এমিরেটসের ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে মরদেহ পাঠানো হয়। এ সময় মায়ামিস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কনসাল থোইং এ সেখানে উপস্থিত থেকে পুরো প্রক্রিয়া তদারকি করেন।
জানা গেছে, দুবাই হয়ে শনিবার সকাল ৮টা ৪০মিনিটে মরদেহ দেশে পৌঁছাবে। নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার জামিল লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দেশে পাঠানোর সমস্ত ব্যয় বহন করছে বাংলাদেশ সরকার।
এর আগে নিহত নাহিদার জানাজা বৃহস্পতিবার বাদ জোহর টাম্পার ইস্তাবা ইসলামিক সোসাইটি অফ টাম্পা বে এরিয়া মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় অংশগ্রহণ করেন ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ ফ্লোরিডার শিক্ষার্থী, মায়ামিস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কনসাল, গণমাধ্যম প্রতিনিধিসহ স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
নাহিদা বৃষ্টির মরদেহ শনাক্তের খবর পহেলা মে হিলসবোরো কাউন্টির শেরিফ অফিস থেকে নিশ্চিত করার পরপরই ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাস এবং মায়ামিস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, মৃতের পরিবার, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, টাম্পার স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশি ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ ডিপার্টমেন্টের সমন্বয়ে সকল স্থানীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে দ্রুততম সময়ে মরদেহ প্রেরণের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছে।
পড়ুন : যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ ভেঙে ইরানে গেলো তিনটি ট্যাংকার


