বিজ্ঞাপন

বন্দরে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘ক্যাডার সোহেল’ র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার ত্রাস, মাদক, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ অন্তত ১৪টি মামলার দুর্ধর্ষ আসামী সোহেল ওরফে ‘ক্যাডার সোহেল’ (৩৫) কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১১)।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মদনপুরের আন্দিরপাড় এলাকায় এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আইনের আওতায় আনা হয়।

র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে, ধৃত সোহেল বন্দর ও তার আশপাশের এলাকায় এক আতঙ্কের রাজত্ব কায়েম করেছিল। তার বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনীর মাধ্যমে সে সাধারণ মানুষের পৈত্রিক জমি ও ভিটেমাটি জোরপূর্বক দখল করে আসছিল। আধিপত্য বজায় রাখতে সে প্রায়ই আগ্নেয়াস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাহিনী ব্যবহার করতো।

সোহেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, এলাকায় যেকোনো নতুন ভবন নির্মাণ বা স্থাপনা তৈরির সময় তার বাহিনীকে মোটা অংকের চাঁদা দিতে হতো। চাঁদা না দিলে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়া এবং মারধরের ঘটনা ছিল নিত্যনৈমিত্তিক। এছাড়া শীতলক্ষ্যা নদীর তীরের বিভিন্ন পয়েন্টে পণ্যবাহী ট্রলার ও বাল্কহেড থেকে তার বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত চাঁদাবাজি করতো। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ‘মাসোহারা’ আদায় এবং মদনপুর-বন্দর এলাকায় মাদকের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে এই কুখ্যাত ক্যাডারের বিরুদ্ধে।

র‌্যাব-১১ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পায় যে, সোহেল (মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের সদস্য) সে আন্দিরপাড় এলাকায় অবস্থান করছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গভীর রাতে পরিচালিত অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাব জানায়, সোহেলের বিরুদ্ধে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানা এবং নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় অস্ত্র, মাদক ও চাঁদাবাজিসহ অন্তত ১৪টি মামলা রয়েছে। বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে তার অপকর্ম নিয়ে চাঞ্চল্যকর সংবাদ প্রচারিত হয়েছে।

র‌্যাব-১১ এর মিডিয়া অফিসার জানান, ক্যাডার সোহেলকে পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের জন্য বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাকে গ্রেফতারের খবরে বন্দরবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে র‌্যাবের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

পড়ুন- গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন