বিজ্ঞাপন

শেষ মুহূর্তে ১০৯ পুলিশ কর্মকর্তাকে পদক প্রদান স্থগিত

বাংলাদেশ পুলিশ সপ্তাহে বরাবরের মতো অত্যন্ত সম্মানজনক ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক’ (বিপিএম) ও ‘রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক’ (পিপিএম) প্রদানের কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে ১০৯ জন কর্মকর্তা ও সদস্যের পদক প্রদান স্থগিত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) খন্দকার রফিকুল ইসলাম।

রোববার (১০ মে) থেকে শুরু হতে যাওয়া চার দিনব্যাপী ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬’ উপলক্ষে এই ১০৯ জন সদস্যের নাম চূড়ান্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে তালিকায় স্থান পাওয়া কিছু কর্মকর্তার অতীত কার্যক্রম এবং মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় ‘স্বজনপ্রীতি’ ও ‘বিতর্কিতদের’ ঠাঁই পাওয়া নিয়ে বাহিনীর ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। মূলত এই বিতর্কের মুখেই পুলিশ সদর দপ্তর এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শেষ মুহূর্তে পদক প্রদান স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।


পদক প্রদান কমিটির সভাপতি অতিরিক্ত আইজিপি খন্দকার রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিভিন্ন মহল থেকে আসা অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখতেই এই স্থগিতাদেশ। তিনি এর আগে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, “বিতর্কের ঊর্ধ্বে কেউ নন, অভিযোগ আসায় বিষয়টি পুনর্মূল্যায়ন করা হচ্ছে।”

জানা গেছে, এবারের তালিকায় এমন কিছু কর্মকর্তার নাম এসেছিল যাদের বিরুদ্ধে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিতর্কিত ভূমিকা রাখা বা স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে তালিকায় নাম তোলার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি পদক কমিটির এক সদস্যের আত্মীয়কেও তালিকায় রাখা নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। যোগ্য কর্মকর্তাদের বাদ দিয়ে রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত বিবেচনায় নাম আসায় এই স্থগিতাদেশকে বাহিনীর ভাবমূর্তি রক্ষার একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন অনেকে।


উল্লেখ্য, ১৩ মে পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় এই পুলিশ সপ্তাহের প্রতিপাদ্য হলো- ‘আমার পুলিশ, আমার দেশ, বাংলাদেশ ফার্স্ট’। উদ্বোধনী দিনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে এই পদক গ্রহণের কথা ছিল কর্মকর্তাদের। পদক প্রদান স্থগিত হলেও পুলিশ সপ্তাহের অন্যান্য নিয়মিত কার্যক্রম ও প্যারেড যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : রোববার থেকে শুরু হচ্ছে পুলিশ সপ্তাহ, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন