বিজ্ঞাপন

ট্রাম্পের সঙ্গে চীন যাচ্ছেন ইলন মাস্ক, টিম কুক ও বোয়িং প্রধান

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসন্ন চীন সফরে যোগ দিচ্ছেন বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কয়েকজন প্রধান নির্বাহী। সফরে থাকছেন টেসলার ইলন মাস্ক, অ্যাপলের টিম কুক এবং বোয়িংয়ের কেলি অর্টবার্গ। সফরে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বড় বাণিজ্য চুক্তি ও বিনিয়োগ আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ট্রাম্পের চীন সফরে মোট ১৬ জন ব্যবসায়ী নেতা অংশ নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে প্রযুক্তি, বিমান, আর্থিক সেবা ও কৃষিখাতের বড় প্রতিষ্ঠানের প্রধানরাও রয়েছেন। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিনিধি দলে রয়েছেন টেসলা ও এক্সের মালিক ইলন মাস্ক, অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক, জিই অ্যারোস্পেসের ল্যারি কাল্প এবং বোয়িংয়ের প্রধান নির্বাহী কেলি অর্টবার্গ। এছাড়া মেটার ডিনা পাওয়েল ম্যাককরমিক, ব্ল্যাকরকের ল্যারি ফিঙ্ক, ব্ল্যাকস্টোনের স্টিফেন শোয়ার্জম্যান, কোয়ালকমের ক্রিস্টিয়ানো আমন, ভিসার রায়ান ম্যাকইনার্নি ও মাস্টারকার্ডের মাইকেল মিব্যাকও সফরে যোগ দিচ্ছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সফরে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন পারস্পরিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহজ করতে নতুন কিছু ফোরাম গঠনের ঘোষণা দিতে পারে। একই সঙ্গে চীনের পক্ষ থেকে বোয়িং উড়োজাহাজ, মার্কিন কৃষিপণ্য ও জ্বালানি খাতে বড় কেনাকাটার ঘোষণা আসতে পারে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকে বড় ব্যবসায়িক চুক্তি ঘোষণা নতুন কিছু নয়। তবে সাম্প্রতিক বাণিজ্য উত্তেজনার পর এই সফরকে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সফরে বিরল খনিজ বা ‘রেয়ার আর্থ’ সরবরাহ নিয়ে চলমান সমঝোতাও আলোচনায় আসতে পারে। বৈদ্যুতিক গাড়ি, চিপ ও আধুনিক প্রযুক্তিপণ্যে এসব খনিজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর আগে বাণিজ্যযুদ্ধের অংশ হিসেবে চীন এসব খনিজ রপ্তানি সীমিত করার হুমকি দিয়েছিল।

এদিকে বোয়িং দীর্ঘদিন ধরে চীনের কাছ থেকে বড় উড়োজাহাজ অর্ডারের অপেক্ষায় রয়েছে। শিল্পসংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আলোচনায় প্রায় ৫০০টি ‘৭৩৭ ম্যাক্স’ উড়োজাহাজ এবং জিই ইঞ্জিনচালিত আরও কয়েক ডজন বড় উড়োজাহাজ থাকতে পারে। চুক্তিটি হলে ২০১৭ সালের পর এটি হবে চীনের প্রথম বড় বোয়িং অর্ডার। একই সঙ্গে এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় উড়োজাহাজ অর্ডারগুলোর একটি হতে পারে।

তবে সফরে যাচ্ছেন না এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং। রয়টার্স বলছে, এবারের সফরে হোয়াইট হাউসের মূল গুরুত্ব কৃষি ও বাণিজ্যিক বিমান খাতে। সে কারণে এনভিডিয়াকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়নি।

যদিও ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে জেনসেন হুয়াংয়ের সম্পর্ক সাম্প্রতিক সময়ে ঘনিষ্ঠ হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন সম্প্রতি এনভিডিয়ার এইচ২০০ এআই চিপ চীনে রপ্তানির অনুমতি দেয়। তবে চীনের সরকারি অনুমোদন জটিলতায় এখনো এসব চিপ বিক্রি শুরু হয়নি।

সবশেষে গত অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ায় ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠক হয়। তখন দুই দেশ চলমান বাণিজ্যযুদ্ধ সাময়িকভাবে স্থগিত করার বিষয়ে সম্মত হয়েছিল। ওই বাণিজ্যযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র চীনা পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করে এবং পাল্টা পদক্ষেপের হুমকি দেয় বেইজিং।

পড়ুন:সাফি মাল্টিমিডিয়া স্কুলে ব্যতিক্রমধর্মী পরীক্ষা.

দেখুন:‘ইউনূস সাহেবের আমলে খারাপ কাজ বেশি হয়েছে, সর্বনাশ বেশি হয়েছে’ |

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন