ভারতে সংখ্যালঘু মুসলিমদের ওপর হত্যা, নির্যাতন, বসতবাড়ি ও মসজিদ ধ্বংসের ঘটনার প্রতিবাদে পিরোজপুরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) আসর নামাজের পর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে থেকে জেলা ইমাম পরিষদের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কৃষ্ণচুড়া মোড়, সরকাকারী উচ্চ বিদ্যালয় হয়ে পুনরায় মসজিদ মোড়ে এসে শেষ হয়।
এ সময় পুরো শহরজুড়ে প্রতিবাদী স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পরিবেশ।
মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা “নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবার”, “দ্বীন ইসলাম জিন্দাবাদ” এবং “বিশ্বের মুসলিম এক হও, লড়াই করো” ‘ভারত না বাংলাদেশ’ মুসলিম নির্যাতন বন্ধ করো’, ‘মসজিদ-মাদ্রাসায় হামলার বিচার চাই’, ‘ইসলাম বিদ্বেষী ষড়যন্ত্র রুখে দাও’, মোদি-শুভেন্দু হুঁশিয়ার-হুঁশিয়ারসহ সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
বিক্ষোভ মিছিলে শহরের বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, আলেম-উলামা, ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা, ছাত্রদল, যুবদলের কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
পরে মসজিদ চত্বরে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, “ইসলাম শান্তি, সহনশীলতা ও মানবতার ধর্ম। মুসলমান কখনো অন্যায়ের পক্ষে থাকতে পারে না। ভারতে মুসলিমদের ওপর চলমান নির্যাতন ও সহিংসতা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।”
বক্তারা আরও বলেন, “ভারতে মুসলিম নিধন বন্ধ করতে হবে” এবং “মসজিদ ভাঙার রাজনীতি মানি না, মানব না।” তারা অভিযোগ করেন, উগ্র সাম্প্রদায়িক রাজনীতির কারণে ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমানরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
সমাবেশে বক্তারা পিরোজপুরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা উল্লেখ করে বলেন, ভারতে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব যেন বাংলাদেশের কোথাও, বিশেষ করে পিরোজপুরে বসবাসরত হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর না পরে, সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। ইসলাম নিরপরাধ মানুষের ক্ষতি করার শিক্ষা দেয় না বলেও তারা উল্লেখ করেন।
বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মোঃ জুবায়ের, ইমাম পরিষদের সিনিয়র সহ সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, সহ সভাপতি মিজানুর রহমান প্রমুখ।
পড়ুন : বাগেরহাট জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণায় আনন্দ মিছিল


