বিজ্ঞাপন

ঢাকা আরিচা মহাসড়কে গ্যাসের লড়ি-যাত্রীবাহী বাস সংঘর্ষে বাসে আগুন

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে অক্সিজেন সরবরাহকারী লড়ির সঙ্গে সংঘর্ষের পর দূরপাল্লার একটি যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে কোনো প্রাণহানির ঘটনা না ঘটলেও বাসটি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এ সময় যাত্রীদের মালামালও আগুনে ভস্মীভূত হয়।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (২৫ মে) দুপুর, ঢাকা আরিচ মহাসড়কের মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার মূলজান এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাসুম।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়াগামী এফকে পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ঢাকাগামী স্পেক্ট্রা কোম্পানির তরল গ্যাসবাহী একটি লড়ির সংঘর্ষ হয়। এর কিছুক্ষণ পরই যাত্রীবাহী বাসটিতে আগুন ধরে যায়। একই সঙ্গে গ্যাসবাহী ট্রাক থেকে গ্যাস লিকেজ শুরু হলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্কিত যাত্রীরা দ্রুত বাস থেকে নেমে পড়েন। কেউ কেউ জানালার কাচ ভেঙে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। এতে কয়েকজন যাত্রী সামান্য আহত হন বলে জানা গেছে। তবে বড় ধরনের কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে দুইটি গাড়ির ড্রাইভার পালিয়ে যায়।

দুর্ঘটনার পর ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে মহাসড়কের দুই পাশে যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে প্রায় ১ ঘন্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বাসের কোনো যাত্রী গুরুতর আহত হননি। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও লড়িকে গোলড়া হাইওয়ে থানায় নেওয়া হয়েছে।

সজল নামের এক যাত্রী বলেন, আমাদের বাস রাইট সাইড দিয়েই যাচ্ছিলো। উলটো দিক থেকে একটি গ্যাসের গাড়ি এসে সামনাসামনি সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষের পর আগুন অল্পই লেগেছিলো ড্রাইভার চেষ্টা করেছে সাইড করার কিন্তু সাইড করতে পারেনি। আগুন লেগে সাথে সাথেই ছড়িয়ে পড়েছে। আমার কাপড় সব পুরে গেছে।

যাত্রীবাহী বাসের যাত্রী শাওন বলেন, বাসের স্পিড স্লো ছিলো কিন্তু হঠাৎ করে উল্টো দিক থেকে আসা গ্যাসের গাড়ির সাথে সংঘর্ষ হয়ে বাসে আগুন লেগে যায়। সৌভাগ্যজনক ভাবে সবাই বের হতে পারছে। কেউ জানালার কাচ ভেঙে বের হয়েছে কেউ দরজা দিয়ে বের হয়েছে। অনেকের মালামালের ক্ষতি হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস মানিকগঞ্জ সদর ইনচার্জ মিয়ারাজ উদ্দিন বলেন,আনুমানিক ৭ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে , দুর্ঘটনা ঘটার পর সাথে সাথেই চলে আসায় এবং আমাদের দক্ষতায় প্রায় ৫০- ৬০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আব্দুল্লাহ আল মাসুম বলেন, কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি, রাস্তাটি প্রায় এক ঘন্টা ব্লকেজ থাকে । ঘরমুখ মানুষের বাড়ি ফেরা নির্বিঘ্ন করতে দ্রুত সময়ের মধ্যে মহাসড়ক যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।

পড়ুন- শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা : পুলিশের চার্জশিটে উঠে এলো ভয়ঙ্কর যেসব তথ্য

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন