বিজ্ঞাপন

কোরবানির ঈদ এলেই বাড়ে তেঁতুল গাছের খাটিয়ার চাহিদা

কোরবানির ঈদ ঘনিয়ে আসলেই দক্ষিণাঞ্চলের বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় বেড়ে যায় তেঁতুল গাছের কাঠ দিয়ে তৈরি খাটিয়ার চাহিদা। কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটাকাটির কাজে মজবুত ও টেকসই হওয়ায় এই খাটিয়ার প্রতি মানুষের আগ্রহ বেশি থাকে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে কোরবানির সময় তেঁতুল কাঠের খাটিয়া ছাড়া যেন আয়োজনই পূর্ণতা পায় না।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (২৬ মে) বরগুনা পৌর শহরসহ বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভ্যানে করে পশুর মাংস কাটার খাটিয়া বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। ঈদকে সামনে রেখে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড়ও লক্ষ্য করা গেছে।

কারিগররা জানান, প্রতিবছর কোরবানির সময় আসলেই গ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে তেঁতুল গাছ কিনে খাটিয়া তৈরি করা হয়। তেঁতুল কাঠ শক্ত ও দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় এই কাঠের তৈরি খাটিয়া সহজে ভাঙে না। কোরবানির সময় পশু জবাই ও মাংস প্রক্রিয়াজাত করার কাজে এই খাটিয়ার ব্যবহার বেশি। অনেক খুচরা বিক্রেতা আগাম বুকিং দিয়েও রাখেন।

খাটিয়া বিক্রেতা বিপুল চন্দ্র বলেন, কোরবানির ঈদ সামনে এলেই খাটিয়ার চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। মজবুত ও টেকসই হওয়ায় কোরবানির কাজে মানুষ তেঁতুল কাঠের খাটিয়াকেই বেশি পছন্দ করেন। প্রতি খাটিয়ার দাম আকারভেদে ১৫০ থেকে ২২০ টাকার মধ্যে বিক্রি করা হয়। এতে প্রতিটি খাটিয়া থেকে ৩০ থেকে ৪০ টাকা লাভ হয়। তবে চাহিদা বেশি থাকায় কিছু ক্ষেত্রে দামও কিছুটা বেড়েছে।

খাটিয়া ক্রেতা হাসান আল-বান্না বলেন , ঈদের নামাজ শেষে পশু কোরবানি দেওয়া নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়তে হয়। তখন প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম খোঁজাখুঁজি করা বা অন্যের কাছ থেকে নেওয়া ঝামেলার হয়ে দাঁড়ায়। তাই আগে থেকেই মাংস কাটার জন্য বাজার থেকে তেঁতুল কাঠের খাটিয়া কিনে রাখেন তারা।

স্থানীয়রা জানান, আধুনিক বিভিন্ন সরঞ্জাম এলেও কোরবানির কাজে এখনও তেঁতুল কাঠের খাটিয়ার বিকল্প তৈরি হয়নি। তাই প্রতিবছর ঈদ এলেই বাড়ে এর চাহিদা।

কারিগরদের আশা, কোরবানির মৌসুমকে কেন্দ্র করে খাটিয়া বিক্রি ভালো হওয়ায় তাদের আয়-রোজগারও বাড়বে।

পড়ুন:ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ৪৫ কিলোমিটার যানজট

দেখুন:ঘরে বসেই মাসে অর্ধ লক্ষ টাকা আয় করছেন সুমা!

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন