বিজ্ঞাপন

সন্ত্রাসীদের অভয়াশ্রম চরাঞ্চল, এক মাসের মধ্যেই স্থাপন করা হবে পুলিশ ফাঁড়ি

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চরাঞ্চলে মাঝে মধ্যেই প্রায় নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের লক্ষে অস্ত্রের ঝনঝনানীন এবং সম্মুখ লড়াই শুরু হয়। উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়নের চরাঞ্চল চরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনার উদ্যোগ নিয়েছেন চারঘাট-বাঘা এমপি আবু সাইদ চাঁদ এবং রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান আলী।

বিজ্ঞাপন

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়নের চরাঞ্চল বাসীর দীর্ঘদিনের দাবি তাদের নিরাপত্তায় পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনা। এমপি আবু সাইদ চাঁদ এর উদ্যোগে বাস্তবায়নের পথে পুলিশ ফাঁড়ি। গত বুধবার (২৭ মে) রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান আলী চরাঞ্চল পরিদর্শন শেষে বলেন আগামী এক মাসের মধ্যে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের ব্যবস্থা করা হবে।

ঘটনা সুত্রে জানা যায়, গত ১১ মে রাজশাহীর বাঘা থানার সীমানা পার হয়ে ১৭৬টি গরু কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমানায় চলে যায়। আধিপত্য বিস্তার করে গরুগুলো ফেরত না দিয়ে নিজেদের দখলে নেয়। পরে বাঘা, লালপুর ও দৌলতপুর থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে গরুগুলো উদ্ধার করে মালিকদের নিকট হস্তান্তর করা হয়। অপরদিকে গত ১৮ মে দিবাগত গভীর রাতে কালিদাসখালী চরে গোলাগুলির পর কালিদাসখালি গ্রামের সিদ্দিক বেপারীর ছেলের এখনো কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।

রেঞ্জ ডিআইজি চরের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন। চরাঞ্চলে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপিত হলে অপরাধ দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হবে। চরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। চরাঞ্চলের অপরাধ নিয়ন্ত্রনে পুলিশদের সাথে স্থানীয়দেরও সহযোগিতা প্রয়োজন।

জেলা বিএনপি আহবায়ক ও চারঘাট-বাঘা এমপি আবু সাইদ চাঁদ বলেন, চরাঞ্চলে গোলাগুলি, ডাকাতি ও নাশকতার ঘটনায় চরাঞ্চলের মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছিল। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা সমস্যা দুর করলেন রেঞ্জ ডিআইজি। ওই সময় জেলা পুলিশ সুপার নাইমুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক, সহ উপজেলা বিএনপির দলীয বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পড়ুন: ত্যাগের মহিমায় সারাদেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন