বিজ্ঞাপন

এবার রোমানিয়ায় ড্রোন হামলা, অভিযোগ রাশিয়ার বিরুদ্ধে

ইউক্রেন সীমান্তের কাছে পূর্ব রোমানিয়ার একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে একটি ড্রোন আছড়ে পড়েছে। এতে দুইজন আহত হয়েছেন বলে জরুরি সেবা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। শুক্রবার (২৯ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় রাশিয়ার বর্তা সংস্থা আরটি। এই হামলার জন্য রাশিয়াকে দায়ী করেছে রোমানিয়া।

আঞ্চলিক জরুরি সেবা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরক বহনকারী একটি ড্রোন ভবনটির ১০ম তলায় আঘাত হানে, যার ফলে আগুন লেগে যায়। এ ঘটনায় প্রায় ৭০ জন বাসিন্দাকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

গালাতি অঞ্চলের জরুরি সেবা বিভাগের মুখপাত্র ক্যাটালিন সিওন জানান, সামান্য আঘাত পাওয়ায় দুইজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া আরও দুইজন আতঙ্কজনিত সমস্যার জন্য চিকিৎসা নিয়েছেন।

ঘটনাস্থলে বর্তমানে দমকলকর্মী, পুলিশ এবং বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের সদস্যরা কাজ করছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে হামলার মুহূর্তটি দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।

পরবর্তীতে রোমানিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে দাবি করে যে ড্রোনটি রাশিয়া থেকে এসেছে এবং ইউক্রেনে পরিচালিত হামলায় জড়িত ছিল। এ বিষয়ে মস্কো এখনও কোনো মন্তব্য করেনি।

রোমানিয়া একাধিকবার অভিযোগ করেছে যে, রাশিয়ার ড্রোন তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে। সর্বশেষ গত এপ্রিলের একটি ঘটনায় রোমানিয়ান কর্মকর্তারা জানান, একটি মানববিহীন আকাশযান (ইউএভি) গালাতির কাছে একটি বাড়ি এবং একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির ক্ষতি করেছে। তবে মস্কো এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, ড্রোনগুলো যে রাশিয়ার ছিল তার কোনো চূড়ান্ত প্রমাণ নেই।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেনীয় বলে সন্দেহ করা বেশ কয়েকটি ড্রোনও বাল্টিক দেশগুলোর আকাশসীমায় প্রবেশ করেছে। ৭ মে পূর্ব লাটভিয়ায় রাশিয়ার সীমান্তের কাছে একটি ইউএভি চারটি খালি তেল সংরক্ষণ ট্যাংকের ক্ষতি করে। মস্কো অভিযোগ করেছে, বাল্টিক দেশগুলো ইউক্রেনকে তাদের আকাশসীমা ব্যবহার করে রাশিয়ার অভ্যন্তরে হামলা চালাতে দিচ্ছে। তবে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

সূত্র: আরটি

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ইসরায়েলের ৪ সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা ইউরোপীয় ইউনিয়নের

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন