পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দকে আরও প্রাণবন্ত ও মানবিক করে তুলতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন মোঃ নজরুল ইসলাম। ঈদের পরদিন জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের চিনিতুলা গ্রামে নিজ বাড়িতে সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য আয়োজন করেন এক হৃদয়ছোঁয়া মধ্যাহ্ন ভোজের।
দুপুরের এ আয়োজনে প্রায় ২০০ অসহায় মানুষ অংশ নেন। জবাইকৃত পশুর মাংস দিয়ে পরিবেশিত খাবারে গ্রামের সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে সৃষ্টি হয় এক প্রাণবন্ত ও আবেগঘন পরিবেশ। শিশু থেকে বৃদ্ধ—সব বয়সী মানুষের মুখে ফুটে ওঠে তৃপ্তির হাসি।
আয়োজন সম্পর্কে অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের আন্তরিক সহযোগিতায় প্রায় ২০০ অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য কোরবানির মাংস দিয়ে দুপুরের খাবারের আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আজ শুধু খাবার বিতরণ হয়নি—বিতরণ হয়েছে ভালোবাসা, সহমর্মিতা, মানবতা এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক অনন্য বার্তা।”
তিনি আরও বলেন, মানুষ মানুষের জন্য—এই সত্যটিই আজ আবার প্রমাণিত হলো। যারা শ্রম, সময়, অর্থ, পরামর্শ ও দোয়া দিয়ে এই মানবিক উদ্যোগে পাশে ছিলেন, মহান আল্লাহ তায়ালা যেন প্রত্যেককে উত্তম প্রতিদান দান করেন।”
স্থানীয়রা জানান, ঈদের আনন্দ যখন অনেক অসহায় মানুষের কাছে অধরাই থেকে যায়, তখন এমন উদ্যোগ সমাজে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
আয়োজকরা বলেন, “এক প্লেট খাবার হয়তো পৃথিবী বদলে দেয় না, কিন্তু ক্ষুধার্ত একজন মানুষের মুখের হাসি বদলে দিতে পারে একটি পুরো মুহূর্ত, একটি পুরো অনুভূতি।”
মানবতার এ আলো আরও বিস্তৃত হোক—এমন প্রত্যাশার মধ্য দিয়ে সবাইকে পুনরায় ঈদের শুভেচ্ছা জানান আয়োজকরা।
পড়ুন : ৫ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেলযোগাযোগ স্বাভাবিক


