বিজ্ঞাপন

তুরাগ নদীতে নিখোঁজ রাসেল: ১২ ঘণ্টা পর উদ্ধারকাজ শুরু, ২০ ঘণ্টা পেরিয়েও মেলেনি সন্ধান

গাজীপুরের কাশিমপুরে তুরাগ নদীতে নৌভ্রমণে বের হওয়া একদল যুবকের আনন্দযাত্রা মুহূর্তেই আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। নৌকায় ডিজে গান বাজানোর সময় ভারসাম্য হারিয়ে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়েছেন রাসেল (২২) নামের এক যুবক। ঘটনার প্রায় ২০ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও এখনো তার কোনো সন্ধান মেলেনি।
শনিবার বিকেলে কাশিমপুরের নামাবাজার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জেলেপাড়া এলাকার তুরাগ নদীতে এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ রাসেল কাশিমপুরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গোবিন্দবাড়ী এলাকার ফজল আলীর ছেলে।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটির আমেজে কয়েকজন বন্ধু মিলে নৌকায় করে তুরাগ নদীতে ভ্রমণে বের হন। নৌকায় ডিজে গান বাজিয়ে আনন্দ-উল্লাস চলছিল। একপর্যায়ে রাসেল ভারসাম্য হারিয়ে নদীতে পড়ে যান। সঙ্গে থাকা বন্ধুরা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও মুহূর্তের মধ্যেই তিনি নদীর পানিতে তলিয়ে যান এবং নিখোঁজ হন।

ঘটনার পরপরই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি জানানো হয়। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, শনিবার বিকেলে ঘটনার পর উদ্ধারকারী দলের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে। অবশেষে প্রায় ১২ ঘণ্টা পর রোববার ভোর ৬টা ৩০ মিনিটে ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
দীর্ঘ সময় পর উদ্ধার অভিযান শুরু হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এমন জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করা হলে নিখোঁজ ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা বেশি থাকত।

স্থানীয় জেলে, নৌকার মাঝি ও এলাকাবাসীও নিখোঁজ যুবকের সন্ধানে সহায়তা করছেন। এদিকে ঘটনাস্থলে শত শত মানুষের ভিড় দেখা গেছে। নিখোঁজ রাসেলের পরিবার ও স্বজনদের কান্নায় পুরো এলাকায় শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার প্রায় ২০ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও রাসেলকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ডুবুরি দল, স্থানীয় জেলে ও এলাকাবাসীর সমন্বয়ে তার সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিখোঁজ যুবকের সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার কার্যক্রম চলবে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

পড়ুন- অপরাধীদের আস্তানা হতে দেওয়া হবে না জঙ্গল সলিমপুরকে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন