ঈদুল আযহার ছুটি কাটিয়ে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। ছুটি শেষে খুলেছে সরকারি অফিস আদালত, ব্যাংক বীমাসহ বেসরকারী প্রতিষ্ঠান। কর্মস্থলে যোগ দিতে ভোর থেকে জামালপুর-ঢাকা রেলপথের সব ট্রেনে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। ট্রেনের ভিতরে জায়গ না হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের ছাদে উঠছে নারী পুরুষ ও শিশুরা। দেওয়ানগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস, জামালপুর থেকে ছেড়ে যাওয়া লোকাল, কমিউটারসহ আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে ছিল যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা থাকলেও ঝুকিপুর্ন ট্রেনের ছাদ থেকে যাত্রীদের নামানো যায়নি।
যাত্রীরা বলছেন গ্রামের বাড়ীতে পরিবার পরিজনদের সাথে ঈদের ছুটি কাটিয়ে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে ঢাকা ফিরতে হবে। কষ্ট বা ঝুকি কোন কিছুই তাদের পথ আটকাতে পারবে না। জামালপুর জংশন রেলস্টেশনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ না করার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। তবুও ছাদে ভ্রমন ঠেকানো যায়নি সোমবারের রেলযাত্রায়।
ট্রেন যাত্রা নিরাপদ আর ভাড়া তুলনামূলক কম থাকায় ট্রেন যাত্রায় ঝুকছে বেশিরভাগ মানুষ।
তবে ট্রেনের টিকিট না পাওয়া এবং হয়রানীর অভিযোগ অনেক যাত্রীর। ট্রেন, বাস না পেয়ে ঝুকিপুর্ন ভাবে পিকআপ ভ্যানে রওনা হয়েছেন অনেক পরিবার।
জামালপুর রেলওয়ে থানার ওসি মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ঈদ উপলক্ষে যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে যাত্রীরা যেন সুন্দর ভাবে ঢাকায় যেতে পারে স্টেশনে সার্বিক নিরাপত্তা দিচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

