ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটি শেষে দেশের শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। ছুটির আগে টানা পাঁচ কার্যদিবস ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর ঈদ পরবর্তী দুই কার্যদিবসেই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ঈদের পর দ্বিতীয় কার্যদিবসে আজ (মঙ্গলবার) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। এতে এক্সচেঞ্জটির সবগুলো মূল্যসূচকও বেড়েছে। আর লেনদেন বেড়ে এক হাজার কোটি টাকার ঘরে উঠেছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেনের শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখিতার দেখা মেলে। লেনদেনের শেষ পর্যন্ত এ ধারা অব্যাহত থাকে। এতে দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি মূল্যসূচক বেড়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ২৩০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ১১৬টির এবং ৪৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৩৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৪০৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৮৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ৫ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ৪৯ পয়েন্টে উঠে এসেছে।
মূল্যসূচক বাড়ার পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৮০ কোটি ৪২ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৯১২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। এ হিসাবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে ১৬৮ কোটি ৪ লাখ টাকা।
অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ১১০ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২১৭ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১২৮টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৫৮টির এবং ৩১টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২৭ কোটি ১৯ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৪৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

