বিজ্ঞাপন

টাঙ্গাইলে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে নিহত ১, বাড়ি ঘরে অগ্নিসংযোগ

টাঙ্গাইলে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই গ্রামের সংঘর্ষে একজন নিহত ও বাড়ি ঘরে অগ্নিসংযোগ, ভাংচুরের ঘটনায় আইনশৃংখলা পরিস্থতি অবনতির আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে অনিদিষ্টকালের জন্য এ ধারা জারি করা হয়। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নে এবং ভূঞাপুর উপজেলার জগৎকুড়া গ্রামে এ আদেশ জারি থাকবে। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে শুক্রবার নতুন করে আবারো দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংর্ঘষ চলছে বলে জানা গেছে।

প্রশাসন সূত্র জানায়, দুই গ্রামবাসীর মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করায় শান্তি শৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার রাত ১১ টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নে এবং ভূঞাপুর উপজেলার জগৎকুড়া গ্রামে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। এসময় ওই এলাকার ২০০ গজ সীমানার মধ্যে সকল প্রকার বেআইনী সমাবেশ, শ্লোগান, শোভাযাত্রা, পিকেটিং, মাইক্রোফোন ব্যবহার, অননুমোদিত মাইকিং, ঢাকঢোল পিটানো, মোটর সাইকেল চালানো, গোলযোগ সৃষ্টি, লাঠিসোটা, অস্ত্রশস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্যাদি পরিবহন এবং সর্বসাধারণের অনুপ্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ভূঞাপুর থানার ওসি সাব্বির রহমান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের প্রায় ১০-১২ জন সদস্য আহত। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তবে নতুন করে আবারো সংর্ঘষ শুরু হয়েছে।

এ ব্যাপারে গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার লাইলাতুল হোসেন বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি থাকবে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার বিকেলে গোপালপুর উপজেলার গোল পেঁচা ও ভূঞাপুর উপজেলার জগৎকুড়া গ্রামের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের কালাম তালুকদার (৬৫) নামে একজনের মৃত্যুর হয়েছে। এঘটনায় আহত হয় বেশ কয়েকজন।

তাছাড়া সংঘর্ষ চলাকালে ১১টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয় অন্তত অর্ধশতাধিক দোকানপাট। প্রায় এক মাস আগে বাকি টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় আবারও বাড়ল তেলের দাম

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন