বিজ্ঞাপন

বিয়ের ২৩ দিনের মাথায় নিভে যায় স্বপ্নার জীবন, বিচার চেয়ে মানববন্ধন

ফরিদপুরে নববিবাহিতা গৃহবধূ মায়া আক্তার স্বপ্না (২০) হত্যার বিচার ও মামলার সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন নিহতের স্বজনরা।

বিজ্ঞাপন

রবিবার (৮ জুন) বেলা ১১টায় ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

নিহত মায়া আক্তার স্বপ্না সদরপুর উপজেলার ঠাঙ্গামারী গ্রামের শেখ হান্নানের মেয়ে।

পারিবারিকভাবে গত (১৫ ফেব্রুয়ারি) তারিখে তার বিয়ে হয় নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের বাসাগাড়ি গ্রামের সাখাওয়াত মাতুব্বরের ছেলে খায়ের মাতুব্বর ওরফে আরাফ মাতুব্বর (২২)-এর সঙ্গে।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই স্বপ্নাকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করা হতো এবং যৌতুকের দাবিতে চাপ দেওয়া হতো। বিয়ের মাত্র ২৩ দিনের মাথায় স্বামীর বাড়িতে রহস্যজনকভাবে তার মৃত্যু হয়।

পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিত হত্যা।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা শেখ হান্নান বাদী হয়ে ফরিদপুর আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় নগরকান্দা থানার এসআই রবিউল ইসলাম। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় বিচার নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন নিহতের স্বজনরা।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, মামলার তদন্তে গাফিলতি ও উদাসীনতার কারণে প্রকৃত অপরাধীরা এখনও আইনের আওতার বাইরে রয়েছে। তারা দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এ সময় নিহতের বাবা শেখ হান্নান বলেন, “আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। মামলা করার পরও দীর্ঘদিন ধরে আমরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত। প্রশাসনের কাছে আমাদের একটাই দাবি, প্রকৃত হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করা হোক।”

মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপিতে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং মায়া আক্তার স্বপ্না হত্যার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

বক্তারা বলেন, তদন্তে কোনো ধরনের গড়িমসি না করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় তারা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।

পড়ুন:পটিয়ায় হামলায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন যুবক, গ্রেফতার ১

দেখুন:কেন পাচারের টাকা ফেরাতে পারেনি অন্তর্বর্তী সরকার? |

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন