বিজ্ঞাপন

বিশ্বকাপের ‘সির সির’ গানটি ৩ দিনে প্রায় ৪ কোটি ভিউ

যোগসূত্র। গত সোমবার (৮ জুন) ফিফার অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ পেয়েছে ‘সির সির’ গানটি। প্রকাশের তিন দিনের মধ্যেই গানটির ভিউ ৩৭ মিলিয়নের বেশি।

গানটি যৌথভাবে তৈরি করেছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান ডিজে ও সংগীতশিল্পী সঞ্জয় ও ফরাসি গায়ক ভেজেড্রিম। মিউজিক ভিডিওতে নাচ আর প্রাণবন্ত উপস্থাপনা দিয়ে বিশেষ নজর কেড়েছেন কানাডীয় গায়ক ও নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহি।

বিজ্ঞাপন


বলিউড হাঙ্গামাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নোরা ফাতেহি বলেন, ‘গানটি আমার জন্য বিশেষ ও চ্যালেঞ্জিং একটি কাজ ছিল। ‘সির সির’-এর মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রভাবকে একসঙ্গে মিশিয়ে এমন কিছু তৈরি করার চেষ্টা করেছি, যা একদিকে যেমন বৈশ্বিক অনুভূতি দেবে, অন্যদিকে দেবে স্বাতন্ত্র্য। আমি চেয়েছিলাম, গানটি শুধু এশিয়া নয়, সবার হোক। সেটিই হয়েছে।’

গানটির কোরিওগ্রাফার রাজিত দেব ইন্ডিয়ান টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করে বলেন, ‘সির সির’-এর শুটিং হয়েছে মরক্কোর কাসাব্লাংকায়। তবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল রাজধানী রাবাতের একটি স্টেডিয়ামে দৃশ্যধারণ। দুই ঘণ্টা লেগেছিল যেতে; কিন্তু সেখানে মাঠের ভেতরে দৃশ্যধারণের জন্য সময় পাওয়া গিয়েছিল মাত্র ১৫ মিনিট। নৃত্যশিল্পী, নোরা ফাতেহি, ভেজড্রিম—সবাই জানতেন কী করতে হবে। আমরা মাত্র ১৫ মিনিটে পুরো দৃশ্য ধারণ করি; কিন্তু পর্দায় সেটি অনেক বড় বাজেটের কাজ বলে মনে হচ্ছে।’


ফিফার সাইটে বলা হয়েছে, ১৮টি গান নিয়ে তৈরি হয়েছে ফিফার অফিশিয়াল অ্যালবাম। এই অ্যালবামে বিশ্বখ্যাত রক ব্যান্ড রোলিং স্টোনস, পপ তারকা শাকিরা, রেগেটন কিংবদন্তি ড্যাডি ইয়াঙ্কি এবং আফ্রোবিটস তারকা বার্না বয় ও রেমার মতো বৈশ্বিক মিউজিক আইকনদের গান স্থান পেয়েছে। সেই অফিশিয়াল মিউজিক প্রজেক্টেরই অংশ ‘সির সির’। ফিফা আগেই জানিয়েছিল, গানগুলোতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিল্পী, সংস্কৃতি ও সংগীতধারার এক বৈশ্বিক সমন্বয় দেখা যাবে।

যৌথভাবে এবার ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। তিন দেশেই আলাদা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে। 

পড়ুন:বিশ্বকাপের রঙে মাতালেন বাংলাদেশের মডেলরাও

দেখুন:জমি বিক্রি করে ৭.৫ কি. মি. জার্মান পতাকা বানালেন আমজাদ!

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন