বিজ্ঞাপন

মেহেরপুরের গাংনীতে বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে শিশুসহ আহত ১৭

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় একটি বেওয়ারিশ কুকুরের হামলায় শিশুসহ অন্তত ১৭ জন আহত হয়েছেন। রোববার (১৪ জুন) বিকেলে গাংনী বড়বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১০ জনকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং বাকিদের মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন গাংনী মহিলা কলেজপাড়ার আব্দুল হালিমের ছেলে নুহু হোসেন (৯), উত্তরপাড়ার কারী মোহাম্মদ আবু ইউসুফের ছেলে মাহাবুব হোসেন (১১), মালসাদহ গ্রামের সাদিয়া সুলতানা (১৬), চৌগাছা এলাকার আব্দুল মান্নান (৭০), বাজারপাড়ার রাশেদুল হকের মেয়ে ফারিয়া খাতুন (১২), মুকুল হোসেন (৪৫), হাবিবুর রহমান (২২), হাফিজুর রহমান (৬০), ধানখোলা গ্রামের রফিকুল ইসলাম (৫৫) এবং চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদি গ্রামের কাদের আলী (৫৬)। এছাড়া আরও সাতজন আহত ব্যক্তি মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে গাংনী বড়বাজারের কসাইখানা এলাকায় একটি বেওয়ারিশ কুকুর প্রথমে কয়েকজন পথচারীকে কামড়ে দেয়। তাদের উদ্ধার করতে এগিয়ে আসা স্থানীয় লোকজনও কুকুরটির আক্রমণের শিকার হন। এতে মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে কুকুরটিকে পিটিয়ে হত্যা করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গাংনী বাজার এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বেড়ে চলেছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তারা জননিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত বেওয়ারিশ কুকুর নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সামিয়া সুলতানা জানান, দুপুরের পর থেকে ধারাবাহিকভাবে কুকুরে কামড়ানো রোগীরা হাসপাতালে আসতে থাকেন। গুরুতর আহতদের ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সবাইকে জলাতঙ্ক প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন ও চিকিৎসা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : প্রশাসনের বাঁধার পরেও চলছিল মাটি খনন ও পুকুর ভরাট, বন্ধ করে মামলার প্রস্তুতি

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন